০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করেছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / ১০১৯৭ বার দেখা হয়েছে

দেশের বৃহৎ ঋণভার ও খেলাপি ঋণের বাস্তবতার মধ্যেও সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ‘বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ একদিকে যেমন সমুদ্রসম্পদের সুযোগ পাচ্ছে, অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে শিল্প অর্থনীতির দিকে রূপান্তরের এই সময়ে কৃষিপণ্যকে কৃষি-শিল্প পণ্যে রূপান্তর করতে প্রয়োজন প্রযুক্তি, দক্ষতা ও গবেষণা। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষি-শিল্পের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা। দেশের জিডিপি, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান উল্লেখযোগ্য।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা কৃষি ও কৃষি-শিল্প খাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে পারেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারকে কৃষিবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা চিহ্নিত করতেও সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের গবেষণা ও অনুসন্ধান নীতিনির্ধারকদের জন্য কার্যকর দিকনির্দেশনা হয়ে উঠবে।এ সময় অনুষ্ঠানে দেশের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পখাতের ওপর বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৭ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।

ঢাকা/আরএইচ

শেয়ার করুন

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করেছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট: ০৭:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

দেশের বৃহৎ ঋণভার ও খেলাপি ঋণের বাস্তবতার মধ্যেও সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ‘বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ একদিকে যেমন সমুদ্রসম্পদের সুযোগ পাচ্ছে, অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে শিল্প অর্থনীতির দিকে রূপান্তরের এই সময়ে কৃষিপণ্যকে কৃষি-শিল্প পণ্যে রূপান্তর করতে প্রয়োজন প্রযুক্তি, দক্ষতা ও গবেষণা। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষি-শিল্পের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা। দেশের জিডিপি, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান উল্লেখযোগ্য।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা কৃষি ও কৃষি-শিল্প খাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে পারেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারকে কৃষিবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা চিহ্নিত করতেও সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের গবেষণা ও অনুসন্ধান নীতিনির্ধারকদের জন্য কার্যকর দিকনির্দেশনা হয়ে উঠবে।এ সময় অনুষ্ঠানে দেশের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পখাতের ওপর বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৭ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।

ঢাকা/আরএইচ