রেমিট্যান্স কমার প্রভাব রিজার্ভেও
- আপডেট: ১০:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১
- / ১০৩০২ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদনঃ চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাস টানা কমলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। এ নিয়ে গত তিন মাস ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স কমার প্রভাব পড়েছে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভেও। বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। গত আগস্টের ২৪ তারিখে রিজার্ভ বেড়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করলেও তা এখন কমছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, গত ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১৪৪ কোটি ৮০ লাখ (প্রায় ১.৪৫ বিলিয়ন) ডলার এসডিআর (স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস) ঋণ রিজার্ভে যোগ হয়। সেই প্রভাবে এক লাফে রিজার্ভ বেড়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই-আগস্ট মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে।
আমদানি বাড়ায় রিজার্ভ থেকে প্রয়োজনীয় ডলার চলে যাওয়ায় এক মাসের ব্যবধানে তা আরও কমে ৪৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
করোনার মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসীরা রেকর্ড ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠান। আগের অর্থবছর এসেছিল যেখানে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ৬৫৭ কোটি ডলার বা ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ। আগে কখনও এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আসেনি। করোনার মধ্যে রেমিট্যান্সে ব্যাপক প্রবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে গত ২৪ আগস্ট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তবে আমদানি ব্যাপকভাবে বাড়লেও রপ্তানি কম থাকাসহ বিভিন্ন কারণে এখন আবার ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যে কারণে রিজার্ভ কমে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ৪৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এতে করে ডলারের দর ব্যাপক বেড়ে আন্তঃব্যাংকেই গতকাল বিক্রি হয়েছে ৮৫ টাকা ৫০ পয়সায়। গত আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে ডলার ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল।
ঢাকা/এমটি




































