স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ডাউনিং স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে জনসন বলেন, কোভিডের বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণার দিন এখনো আসেনি। কারণ, করোনাকে এখনো বিদায় জানানো যায়নি।
করোনা মহামারিকে নিজেদের দেশের শান্তিপূর্ণ ইতিহাসে দুটি ‘অন্ধকারতম ও ভয়ংকর’ বছর বলে উল্লেখ করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি মনে করেন, অমিক্রনের প্রকোপের সময় পার করে ফেলেছে ব্রিটিশ নাগরিকেরা। এখন আক্রান্তের সংখ্যা ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা কমছে।
বরিস জনসন বলেন, তাঁর দেশ এখন স্বাভাবিকতায় ফেরার অবস্থায় আছে। ‘লিভিং উইথ কোভিড’ বা ‘করোনার সঙ্গে বসবাস’ নামে একটি পরিকল্পনাও উন্মোচন করেছেন তিনি। এ পরিকল্পনা উন্মোচনের সময় তিনি এমপিদের উদ্দেশে বলেন, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশনে থাকার বিধিনিষেধ বাতিল হয়ে যাবে।
চিকিৎসকদের সংগঠন ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বলছে, জনসন সরকারের এ পরিকল্পনাটি করোনায় অতি ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হবে।
বিরোধী দলগুলোও এ পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে, করোনা মহামারি পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার নীল নকশাটি খুব দ্রুত কার্যকর করছেন প্রধানমন্ত্রী। বিনা মূল্যে করোনা পরীক্ষার সুযোগ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তেও উদ্বেগ জানিয়েছে তারা।
ইংল্যান্ডের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ক্রিস হুইটি বলেন, করোনা বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়টি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে করতে হয়। হুট করে সবকিছু প্রত্যাহার করে নেওয়া যায় না। এখনো অনেক মানুষ অমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন বলেও সতর্ক করেন তিনি। ক্রিস হুইটি মনে করেন, অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশনে থাকা প্রয়োজন।
স্কটিশ সরকার বলছে, তাদের কাছে সরকারি যে স্বাস্থ্য নির্দেশনা এসেছে, তাতে করোনা বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।





































