০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:৩১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২
  • / ১০৩১৭ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিজনেস জার্নাল  প্রতিবেদক: ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে কেনিয়ার নাইরোবির বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা (বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা) মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আফনানা জান্নাত কেয়া মামলাটি করে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি মো. জাকির হোসেন ১৫ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৬৯৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও অসৎ উদ্দেশ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করতেন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে উপার্জিত ৪১ কোটি ৩৬ লাখ সাত হাজার দুই টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে অবস্থান গোপন করে মানিলন্ডারিং করেছেন।

এজাহারে আরও জানা গেছে, জাকির হোসেন ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাগেরহাট শাখায় সাতটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ টাকা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ভিকারুননিসা নূন স্কুল শাখার একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চার কোটি তিন লাখ ১০ হাজার ৯৩০ টাকা ও ২০২০ সালের ১৪ জুন পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় ১৫টি মেয়াদি এফডিআর হিসাবে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৯ টাকাসহ মোট ৪১ কোটি ৩৬ লাখ সাত হাজার দুই টাকার লেনদেন করেন। এসব ব্যাংক লেনদেনের আয়ের উৎস সংক্রান্ত কোনো তথ্য রেকর্ডপত্র অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। এ কারণে এক আদেশের মাধ্যমে গত অক্টোবরে ওই ব্যাংকগুলো অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দেওয়া হয়।

আরও জানা গেছে, আসামি জাকির হোসেন ১৯৯২ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। তারপর তিনি ১৯৯৫ সালে কুয়েত দূতাবাসে ও ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কেনিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন নাইরোবিতে কর্মরত ছিলেন।

দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, ২০২১-২০২২ করবর্ষের আয়কর নথি অনুযায়ী তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় ২৬৩ অযুতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ভবন, সঞ্চয়পত্রে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা, এছাড়া নামে-বেনামে তার বেশকিছু সম্পদের সন্ধান পায় দুদক।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট: ০৭:৩১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

বিজনেস জার্নাল  প্রতিবেদক: ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে কেনিয়ার নাইরোবির বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা (বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা) মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আফনানা জান্নাত কেয়া মামলাটি করে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি মো. জাকির হোসেন ১৫ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৬৯৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও অসৎ উদ্দেশ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করতেন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে উপার্জিত ৪১ কোটি ৩৬ লাখ সাত হাজার দুই টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে অবস্থান গোপন করে মানিলন্ডারিং করেছেন।

এজাহারে আরও জানা গেছে, জাকির হোসেন ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাগেরহাট শাখায় সাতটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ টাকা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ভিকারুননিসা নূন স্কুল শাখার একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চার কোটি তিন লাখ ১০ হাজার ৯৩০ টাকা ও ২০২০ সালের ১৪ জুন পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় ১৫টি মেয়াদি এফডিআর হিসাবে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৯ টাকাসহ মোট ৪১ কোটি ৩৬ লাখ সাত হাজার দুই টাকার লেনদেন করেন। এসব ব্যাংক লেনদেনের আয়ের উৎস সংক্রান্ত কোনো তথ্য রেকর্ডপত্র অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। এ কারণে এক আদেশের মাধ্যমে গত অক্টোবরে ওই ব্যাংকগুলো অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দেওয়া হয়।

আরও জানা গেছে, আসামি জাকির হোসেন ১৯৯২ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। তারপর তিনি ১৯৯৫ সালে কুয়েত দূতাবাসে ও ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কেনিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন নাইরোবিতে কর্মরত ছিলেন।

দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, ২০২১-২০২২ করবর্ষের আয়কর নথি অনুযায়ী তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় ২৬৩ অযুতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ভবন, সঞ্চয়পত্রে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা, এছাড়া নামে-বেনামে তার বেশকিছু সম্পদের সন্ধান পায় দুদক।

ঢাকা/এসএ