০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

অপ্রত্যাশিত ডিভিডেন্ডে উল্টোরথে রবি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৮:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২
  • / ১০৩০০ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না দেয়ায় আজ বুধবার (১৬ মার্চ ২০২২) শেয়ার দর কমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার দর কমেছে রবি আজিয়াটার। বিদেশি কোম্পানি হিসেবে প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

রবি আজিয়াটার বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরা নানা প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ বলেছেন, বহুজাতিক কোম্পানিটি এবার ভালো ডিভিডেন্ড দিবে। কোম্পানিটির এবার ডিভিডেন্ডে চমকও দেখাতে পারে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী ডিভিডেন্ড না আশায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রবিকে মাত্র ২ শতাংশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে গিয়ে রিজার্ভ ব্যবহার করতে হয়েছে। কোম্পানিটি ২০২১ সালে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩৪ পয়সা। কিন্তু কোম্পানিটির বোর্ড ওই বছরের ব্যবসায় মোট ৫ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ৫০ পয়সা ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ মুনাফার অতিরিক্ত ১৬ পয়সা রিজার্ভ থেকে দিতে হবে।

এদিকে শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ২১) শেয়ার প্রতি আয় কমেছে। কোম্পানিটির গত বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর ২১) যে হারে ব্যবসা হয়েছে, তার প্রতিফলন শেষ প্রান্তিকে দেখা যায়নি।

জানা গেছে, কোম্পানিটির ২০২১ সালের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ৩২ পয়সা। তবে বছর শেষে এই মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেষ প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে মাত্র ০২ পয়সা।

ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ি, কোম্পানিটির ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছিল ০৭ পয়সা। যা দ্বিতীয় প্রান্তিকে ০৯ পয়সা ও তৃতীয় প্রান্তিকে ১৭ পয়সা আয় হয়েছে হয়েছিল। এতে করে ৩টি প্রান্তিকের একত্রে বা ৯ মাসে ইপিএস দেখানো হয়েছিল ৩২ পয়সা।

এদিকে, কোম্পানি কর্তৃপক্ষ গতকাল (১৫ মার্চ) ২০২১ সালের পুরো বছরের যে আর্থিক হিসাব প্রকাশ করেছে, সেখানে ইপিএস দেখিয়েছে ৩৪ পয়সা। এ হিসাবে শেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফায় ব্যাপক কমে গেছে।

২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া রবি আজিয়াটার ৫ হাজার ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ২০২১ সালে শেয়ারপ্রতি ৩৪ পয়সা করে নিট ১৭৮ কোটি ৯ লাখ টাকার মুনাফা হয়েছে। তবে কোম্পানিটির পরিচালনা বোর্ড ওই বছরের জন্য ৫ শতাংশ হারে ২৬১ কোটি ৯০ লাখ টাকার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এক্ষেত্রে মুনাফার অতিরিক্ত ৮৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা রিজার্ভ থেকে দিতে হবে।

অপরদিকে, একই বছরে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে শেয়ারপ্রতি ২৫ টাকা ২৮ পয়সা করে নিট ৩ হাজার ৪১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার মুনাফা করেছে জিপি।

ঢাকা/এসআর

ট্যাগঃ

শেয়ার করুন

অপ্রত্যাশিত ডিভিডেন্ডে উল্টোরথে রবি

আপডেট: ০৮:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না দেয়ায় আজ বুধবার (১৬ মার্চ ২০২২) শেয়ার দর কমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার দর কমেছে রবি আজিয়াটার। বিদেশি কোম্পানি হিসেবে প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

রবি আজিয়াটার বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরা নানা প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ বলেছেন, বহুজাতিক কোম্পানিটি এবার ভালো ডিভিডেন্ড দিবে। কোম্পানিটির এবার ডিভিডেন্ডে চমকও দেখাতে পারে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী ডিভিডেন্ড না আশায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রবিকে মাত্র ২ শতাংশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে গিয়ে রিজার্ভ ব্যবহার করতে হয়েছে। কোম্পানিটি ২০২১ সালে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩৪ পয়সা। কিন্তু কোম্পানিটির বোর্ড ওই বছরের ব্যবসায় মোট ৫ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ৫০ পয়সা ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ মুনাফার অতিরিক্ত ১৬ পয়সা রিজার্ভ থেকে দিতে হবে।

এদিকে শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ২১) শেয়ার প্রতি আয় কমেছে। কোম্পানিটির গত বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর ২১) যে হারে ব্যবসা হয়েছে, তার প্রতিফলন শেষ প্রান্তিকে দেখা যায়নি।

জানা গেছে, কোম্পানিটির ২০২১ সালের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ৩২ পয়সা। তবে বছর শেষে এই মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেষ প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে মাত্র ০২ পয়সা।

ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ি, কোম্পানিটির ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছিল ০৭ পয়সা। যা দ্বিতীয় প্রান্তিকে ০৯ পয়সা ও তৃতীয় প্রান্তিকে ১৭ পয়সা আয় হয়েছে হয়েছিল। এতে করে ৩টি প্রান্তিকের একত্রে বা ৯ মাসে ইপিএস দেখানো হয়েছিল ৩২ পয়সা।

এদিকে, কোম্পানি কর্তৃপক্ষ গতকাল (১৫ মার্চ) ২০২১ সালের পুরো বছরের যে আর্থিক হিসাব প্রকাশ করেছে, সেখানে ইপিএস দেখিয়েছে ৩৪ পয়সা। এ হিসাবে শেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফায় ব্যাপক কমে গেছে।

২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া রবি আজিয়াটার ৫ হাজার ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ২০২১ সালে শেয়ারপ্রতি ৩৪ পয়সা করে নিট ১৭৮ কোটি ৯ লাখ টাকার মুনাফা হয়েছে। তবে কোম্পানিটির পরিচালনা বোর্ড ওই বছরের জন্য ৫ শতাংশ হারে ২৬১ কোটি ৯০ লাখ টাকার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এক্ষেত্রে মুনাফার অতিরিক্ত ৮৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা রিজার্ভ থেকে দিতে হবে।

অপরদিকে, একই বছরে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে শেয়ারপ্রতি ২৫ টাকা ২৮ পয়সা করে নিট ৩ হাজার ৪১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার মুনাফা করেছে জিপি।

ঢাকা/এসআর