১০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ৩২ কোটি নাগরিকের হাতে ৩৯ কোটি বন্দুক: সিডিসি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২
  • / ১০৩৮৩ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ৩২ কোটি নাগরিকের হাতে ৩৯ কোটি বন্দুক রয়েছে। ভয়ংকর এই তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) এক প্রতিবেদনে। সিডিসির তথ্যমতে, আগ্নেয়াস্ত্রের কারণে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১ থেকে ১৯ বছর বয়সী ৪ হাজার ৩০০ শিশু-কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৩৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

সিডিসির গবেষণা অনুযায়ী, দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ। গুলিতে মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে হত্যার পাশাপাশি রয়েছে আত্মহত্যা, অবহেলাজনিত ও অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে গুলিতে আত্মহত্যার হার বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। 

বিশ্লেষকরা বলছে, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অবাধ সুযোগ এসব মৃত্যুর কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবি উঠলেও অস্ত্র নির্মাতাদের প্রভাবে তা চাপা পরে যায়। 

বিগত বছরগুলোতে তরুণ আমেরিকানদের মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল সড়ক দুর্ঘটনা, এরপরের কারণ ছিল বন্দুক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমেছে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘যে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়, সেই মৃত্যু থেকে আমরা আমাদের শিশুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছি।’

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে ৩২ কোটি নাগরিকের হাতে ৩৯ কোটি বন্দুক: সিডিসি

আপডেট: ০২:১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২

বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ৩২ কোটি নাগরিকের হাতে ৩৯ কোটি বন্দুক রয়েছে। ভয়ংকর এই তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) এক প্রতিবেদনে। সিডিসির তথ্যমতে, আগ্নেয়াস্ত্রের কারণে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১ থেকে ১৯ বছর বয়সী ৪ হাজার ৩০০ শিশু-কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৩৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

সিডিসির গবেষণা অনুযায়ী, দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ। গুলিতে মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে হত্যার পাশাপাশি রয়েছে আত্মহত্যা, অবহেলাজনিত ও অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে গুলিতে আত্মহত্যার হার বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। 

বিশ্লেষকরা বলছে, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অবাধ সুযোগ এসব মৃত্যুর কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবি উঠলেও অস্ত্র নির্মাতাদের প্রভাবে তা চাপা পরে যায়। 

বিগত বছরগুলোতে তরুণ আমেরিকানদের মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল সড়ক দুর্ঘটনা, এরপরের কারণ ছিল বন্দুক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমেছে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘যে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়, সেই মৃত্যু থেকে আমরা আমাদের শিশুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছি।’