০৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম: রাষ্ট্রপতি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১১:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মে ২০২২
  • / ১০৩০৩ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দেশের প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার বিকাশ, মান নিয়ন্ত্রণ, প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, উচ্চতর প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আইইবি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।

শনিবার (৭ মে) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এসব কথা তিনি।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রাষ্ট্রপতি বলেন, আইইবি’র ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ উপলক্ষে আমি দেশের সব প্রকৌশলীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রকৌশলীদের মেধা-মনন, শ্রম-ঘাম জড়িয়ে রয়েছে। বিশ্বায়নের এ যুগে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল জ্ঞানের বিকাশ ব্যতীত সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্ভব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৌশল শিক্ষায় প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসছে। যুক্ত হচ্ছে নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও জ্ঞান। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে দেশের প্রকৌশলীদের প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যায় সর্বশেষ জ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত থাকা আবশ্যক বলে আমি মনে করি। আমি আশা করি, দেশের টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আইইবি’র নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে সরকার ‘রূপকল্প ২০২১’ ঘোষণা করেছে। প্রণীত হয়েছে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০। বাস্তবায়িত হচ্ছে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর ও কর্ণফুলি টানেলের মতো মেগা প্রকল্প। সরকারের এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে প্রকৌশলীদের ব্যাপক অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। প্রকৌশলীরা নিজেদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগ ঘটিয়ে দেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখবেন- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

আমি আইইবি’র ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’র সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম: রাষ্ট্রপতি

আপডেট: ১১:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দেশের প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার বিকাশ, মান নিয়ন্ত্রণ, প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, উচ্চতর প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আইইবি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।

শনিবার (৭ মে) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এসব কথা তিনি।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রাষ্ট্রপতি বলেন, আইইবি’র ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ উপলক্ষে আমি দেশের সব প্রকৌশলীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রকৌশলীদের মেধা-মনন, শ্রম-ঘাম জড়িয়ে রয়েছে। বিশ্বায়নের এ যুগে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল জ্ঞানের বিকাশ ব্যতীত সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্ভব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৌশল শিক্ষায় প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসছে। যুক্ত হচ্ছে নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও জ্ঞান। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে দেশের প্রকৌশলীদের প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যায় সর্বশেষ জ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত থাকা আবশ্যক বলে আমি মনে করি। আমি আশা করি, দেশের টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আইইবি’র নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে সরকার ‘রূপকল্প ২০২১’ ঘোষণা করেছে। প্রণীত হয়েছে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০। বাস্তবায়িত হচ্ছে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর ও কর্ণফুলি টানেলের মতো মেগা প্রকল্প। সরকারের এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে প্রকৌশলীদের ব্যাপক অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। প্রকৌশলীরা নিজেদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগ ঘটিয়ে দেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখবেন- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

আমি আইইবি’র ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’র সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

ঢাকা/টিএ