সঞ্চয়পত্র থেকে অর্ধেকে নেমেছে সরকারের ঋণ
- আপডেট: ০১:৫৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২
- / ১০৩০১ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ অর্ধেকে নেমেছে। চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে অভ্যন্তরীণ এ উৎস থেকে সরকার ঋণ পেয়েছে ১৬ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৩ হাজার ২০৩ কোটি টাকা। মূলত সঞ্চয়পত্র কেনায় নানা কড়াকড়ি আরোপ এবং সুদ ও আসল পরিশোধে খরচ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের নিট ঋণ কমেছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
সংশ্নিষ্টরা জানায়, গত মার্চ পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে সরকারের মোট ঋণস্থিতি দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৬০ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা। এ ঋণের বিপরীতে প্রতি মাসে গড়ে সুদ পরিশোধে খরচ হচ্ছে তিন হাজার ৩১০ কোটি টাকার মতো। পাশাপাশি মেয়াদপূর্তি বা অন্য প্রয়োজনে নগদায়ন করছে অনেকে। এর মধ্যে ১৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রে সুদহার কমানো হয়েছে। একক গ্রাহকের ক্রয়সীমা ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কারণে এখন কেউ নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র কিনতে পারে না। এ ছাড়া সঞ্চয়পত্র কেনায় টিআইএন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব কারণে ব্যাংকের তুলনায় অনেক বেশি সুদের পরও সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি কমছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গত মার্চ মাসে নিট এক হাজার ৮১৫ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। আগের বছরের একই মাসে যার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারিতে ২ হাজার ৫২৩ কোটি এবং বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বিক্রি ছিল ২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। এর মানে চলতি বছরের প্রতি মাসেই আগের মাসের চেয়ে বিক্রি কমছে। চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে নিট ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। গত অর্থবছরের মূল বাজেটে ২০ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও শেষ পর্যন্ত ৪১ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা ঋণ নেয় সরকার।
ঢাকা/এসএ




































