০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন রপ্তানি আয়

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:১৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০২২
  • / ১০৪০৩ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গত মে মাসের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি কম হয়েছে প্রায় ২ শতাংশ। আয় এসেছে ৩৮৩ কোটি ডলার। এ আয় চলতি অর্থবছরে গত ৯ মাসের সর্বনিম্ন। অবশ্য গত বছরের মে মাসের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। ওই মাসের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩১০ কোটি ডলার। মে মাসের রপ্তানি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রবণতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গেল মাসে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাত থেকে আট দিন কারখানা বন্ধ ছিল। এ সময় উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এ কারণে স্বাভাবিক মাসের তুলনায় মে মাসের অন্তত ৮ দিনের রপ্তানি কম যোগ হয়েছে।

জানতে চাইলে ক্লাসিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, ঈদের ছুটি তো একটা কারণই বটে। মূলত ইউরোপজুড়ে মূল্যস্ফীতির কারণেই এপ্রিল মাসের চেয়ে মে মাসে রপ্তানি এত বড় ব্যবধানে কমলো। মূল্যস্ফীতির কারণে খাদ্যপণ্যের পেছনেই ইউরোপীয়নদের এখন বড় ব্যয় করতে হচ্ছে। এ কারণে পোশাকের চাহিদা সেখানে দিন দিন কমছে। বিশেষ করে বিলাসী পণ্য হিসেবে উচ্চ মূল্যের পোশাকের চাহিদা কমেছে উল্লেখযোগ্য। উচ্চ মূল্যের পোশাকে বাংলাদেশের অংশ বাড়ছে।

ইপিবির প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, মে মাসে কমলেও চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত গত ১১ মাসে সার্বিক রপ্তানি বেড়েছে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৪ শতাংশ। চলতি গোটা অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রপ্তানি বেশি হয়েছে ৩৬৫ কোটি ডলার। এ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। গত ১১ মাসের রপ্তানির পরিমাণ চার হাজার ৭১৭ কোটি ডলার।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন রপ্তানি আয়

আপডেট: ০৫:১৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গত মে মাসের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি কম হয়েছে প্রায় ২ শতাংশ। আয় এসেছে ৩৮৩ কোটি ডলার। এ আয় চলতি অর্থবছরে গত ৯ মাসের সর্বনিম্ন। অবশ্য গত বছরের মে মাসের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। ওই মাসের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩১০ কোটি ডলার। মে মাসের রপ্তানি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রবণতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গেল মাসে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাত থেকে আট দিন কারখানা বন্ধ ছিল। এ সময় উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এ কারণে স্বাভাবিক মাসের তুলনায় মে মাসের অন্তত ৮ দিনের রপ্তানি কম যোগ হয়েছে।

জানতে চাইলে ক্লাসিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, ঈদের ছুটি তো একটা কারণই বটে। মূলত ইউরোপজুড়ে মূল্যস্ফীতির কারণেই এপ্রিল মাসের চেয়ে মে মাসে রপ্তানি এত বড় ব্যবধানে কমলো। মূল্যস্ফীতির কারণে খাদ্যপণ্যের পেছনেই ইউরোপীয়নদের এখন বড় ব্যয় করতে হচ্ছে। এ কারণে পোশাকের চাহিদা সেখানে দিন দিন কমছে। বিশেষ করে বিলাসী পণ্য হিসেবে উচ্চ মূল্যের পোশাকের চাহিদা কমেছে উল্লেখযোগ্য। উচ্চ মূল্যের পোশাকে বাংলাদেশের অংশ বাড়ছে।

ইপিবির প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, মে মাসে কমলেও চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত গত ১১ মাসে সার্বিক রপ্তানি বেড়েছে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৪ শতাংশ। চলতি গোটা অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রপ্তানি বেশি হয়েছে ৩৬৫ কোটি ডলার। এ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। গত ১১ মাসের রপ্তানির পরিমাণ চার হাজার ৭১৭ কোটি ডলার।

ঢাকা/এসএ