০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

হতাহতদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান আইএলওর

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুন ২০২২
  • / ১০৩৩৬ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও সীতাকুণ্ডে ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি রাসায়নিকের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

গতকাল সোমবার আইএলওর ঢাকা অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামীতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো, দুর্ঘটনাকালের প্রস্তুতি ও পুনরুদ্ধারসহ সব ধরনের কাজের একটি সমন্বিত এবং কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ‘শিল্প এবং অন্যান্য স্থাপনার জন্য কার্যকর একটি নিরাপত্তা কাঠামো এবং বাস্তবায়ন ও প্রশিক্ষণ’ নামে একটি কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি। সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, উদ্যোক্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এ কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করা হয়।

আইএলও বলেছে, রাসায়নিকের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের স্বার্থে সংশ্নিষ্টদের সচেতনতা এবং প্রশিক্ষণের মতো বিষয়গুলো যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝিয়ে দিয়েছে সীতাকুণ্ডের এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আগামীতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো, রাসায়নিকের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের স্বার্থে সংশ্নিষ্টদের সচেতনতা এবং প্রশিক্ষণের মত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।

রাসায়নিক সংশ্নিষ্ট দুর্ঘটনা এড়াতে কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আইএলওর পক্ষ থেকে। এগুলো হচ্ছে, পরিবহন ও লজিস্টিক সংক্রান্ত বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পর্যালোচনা, পেশা-সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের পরিবার আহত শ্রমিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং উপার্জনে সহায়তা দেওয়া এবং পরিবহন খাত এবং লজিস্টিকসে সংশ্নিষ্ট এবং দুর্যোগকালে জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিতদের মাঝে নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণা চালু করা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতে ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত সমন্বিত একটি ইমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) চালু করতে সব পক্ষ সম্মত হয়েছে। অন্যান্য খাতেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

আইএলও মনে করে, শিল্প খাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি শনাক্ত করা, ঝুঁকি প্রতিরোধ ও কর্মপরিবেশ নিরাপদ করতে সরকারের পক্ষ থেকে শিল্পকারখানা যথাযথ মনিটর করা প্রয়োজন। সংস্থার আশা, সীতাকুণ্ডের

দুর্ঘটনার পর সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সারাদেশের সব শিল্পকারখানার নিরাপত্তা ঘাটতি শনাক্ত করবেন সংশ্নিষ্টরা। আইএলওর পক্ষ থেকে এতে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

হতাহতদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান আইএলওর

আপডেট: ১২:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুন ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও সীতাকুণ্ডে ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি রাসায়নিকের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

গতকাল সোমবার আইএলওর ঢাকা অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামীতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো, দুর্ঘটনাকালের প্রস্তুতি ও পুনরুদ্ধারসহ সব ধরনের কাজের একটি সমন্বিত এবং কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ‘শিল্প এবং অন্যান্য স্থাপনার জন্য কার্যকর একটি নিরাপত্তা কাঠামো এবং বাস্তবায়ন ও প্রশিক্ষণ’ নামে একটি কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি। সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, উদ্যোক্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এ কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করা হয়।

আইএলও বলেছে, রাসায়নিকের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের স্বার্থে সংশ্নিষ্টদের সচেতনতা এবং প্রশিক্ষণের মতো বিষয়গুলো যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝিয়ে দিয়েছে সীতাকুণ্ডের এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আগামীতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো, রাসায়নিকের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের স্বার্থে সংশ্নিষ্টদের সচেতনতা এবং প্রশিক্ষণের মত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।

রাসায়নিক সংশ্নিষ্ট দুর্ঘটনা এড়াতে কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আইএলওর পক্ষ থেকে। এগুলো হচ্ছে, পরিবহন ও লজিস্টিক সংক্রান্ত বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পর্যালোচনা, পেশা-সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের পরিবার আহত শ্রমিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং উপার্জনে সহায়তা দেওয়া এবং পরিবহন খাত এবং লজিস্টিকসে সংশ্নিষ্ট এবং দুর্যোগকালে জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিতদের মাঝে নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণা চালু করা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতে ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত সমন্বিত একটি ইমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) চালু করতে সব পক্ষ সম্মত হয়েছে। অন্যান্য খাতেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

আইএলও মনে করে, শিল্প খাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি শনাক্ত করা, ঝুঁকি প্রতিরোধ ও কর্মপরিবেশ নিরাপদ করতে সরকারের পক্ষ থেকে শিল্পকারখানা যথাযথ মনিটর করা প্রয়োজন। সংস্থার আশা, সীতাকুণ্ডের

দুর্ঘটনার পর সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সারাদেশের সব শিল্পকারখানার নিরাপত্তা ঘাটতি শনাক্ত করবেন সংশ্নিষ্টরা। আইএলওর পক্ষ থেকে এতে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

ঢাকা/এসএ