০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করার দাবি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২
  • / ১০৩৯২ বার দেখা হয়েছে

বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান সংকটময় বিশ্ব পরিস্থিতিতে সব ক্ষেত্রে অপচয় কমিয়ে আনতে হবে। এর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে। তবে এর পাশাপাশি ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়ানো উচিত বলে মনে করে বিসিআই। আমরা আগামী কর বছরে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করছি।’

২০০৯-১০ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয় সীমা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এরপর ক্রমান্বয়ে তা আরও বাড়িয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। পরবর্তী দুই অর্থবছরেও এই সীমা বহাল রাখা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে প্রস্তাবিত বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ দাবি করে আনোয়ার উল আলম বলেন, বাজেট প্রস্তাবে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেখা যাচ্ছে না।

প্রস্তাবিত বাজেটে রপ্তানি ক্ষেত্রে উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রপ্তানির ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন বিসিআই সভাপতি।

এ ছাড়া অতিক্ষুদ্র, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প খাতের জন্য করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে নির্ধারণ ও ন্যূনতম ৫ বছর কর অবকাশ, শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ০ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ উৎস কর নির্ধারণ, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনে নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব করে বিসিআই।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করার দাবি

আপডেট: ০৬:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২

বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান সংকটময় বিশ্ব পরিস্থিতিতে সব ক্ষেত্রে অপচয় কমিয়ে আনতে হবে। এর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে। তবে এর পাশাপাশি ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়ানো উচিত বলে মনে করে বিসিআই। আমরা আগামী কর বছরে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করছি।’

২০০৯-১০ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয় সীমা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এরপর ক্রমান্বয়ে তা আরও বাড়িয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। পরবর্তী দুই অর্থবছরেও এই সীমা বহাল রাখা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে প্রস্তাবিত বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ দাবি করে আনোয়ার উল আলম বলেন, বাজেট প্রস্তাবে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেখা যাচ্ছে না।

প্রস্তাবিত বাজেটে রপ্তানি ক্ষেত্রে উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রপ্তানির ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন বিসিআই সভাপতি।

এ ছাড়া অতিক্ষুদ্র, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প খাতের জন্য করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে নির্ধারণ ও ন্যূনতম ৫ বছর কর অবকাশ, শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ০ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ উৎস কর নির্ধারণ, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনে নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব করে বিসিআই।

ঢাকা/টিএ