১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

মেয়েকে হত্যা করে জঙ্গলে মাটিচাপা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:১৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২
  • / ১০৪৭৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ভালুকায় জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। ওই নারীকে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার সৎ বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম (৪০) সৎ মেয়ে মিনু আক্তারকে (১৫) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ওই জঙ্গলে তার মরদেহটি পুঁতে রাখে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে শনিবার (২৫ জুন) সকালে কুড়িগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে শফিকুলকে আটক করে পুলিশ। তিনি কুড়িগ্রামের অলিপুরের কাছুয়া শেখের ছেলে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে শফিকুল। 

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, মিনুর মা মাহমুদা বেগম একটি ফ্যাক্টরির কাজ করে দেড় লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমান। ওই টাকা শফিকুল ব্যবসা করার জন্য চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান মাহমুদা। ওই টাকা তার মেয়ে মিনুর বিয়ের জন্য গচ্ছিত বলে জানান তিনি। তাই শফিকুল পরিকল্পনা করে, মিনুকে সরিয়ে দিতে পারলেই ওই টাকা পাওয়া যাবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাহমুদা বেগমের অনুপস্থিতিতে শফিকুল গত ৮ জুন রাতে ঘুমন্ত মিনুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরের দিন মিনুর মরদেহ হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের ভাড়া বাসার পাশের জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে কুড়িগ্রাম চলে যান তিনি। 

এদিকে, মিনুকে চাপা দেওয়া মাটি বৃষ্টির পানিতে সরে গিয়ে তার পা বেরিয়ে আসে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী তা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে মিনুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, মিনুর সৎ বাবা শফিকুল ইসলামকে কুড়িগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মিনুকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

মেয়েকে হত্যা করে জঙ্গলে মাটিচাপা

আপডেট: ০১:১৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ভালুকায় জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। ওই নারীকে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার সৎ বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম (৪০) সৎ মেয়ে মিনু আক্তারকে (১৫) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ওই জঙ্গলে তার মরদেহটি পুঁতে রাখে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে শনিবার (২৫ জুন) সকালে কুড়িগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে শফিকুলকে আটক করে পুলিশ। তিনি কুড়িগ্রামের অলিপুরের কাছুয়া শেখের ছেলে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে শফিকুল। 

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, মিনুর মা মাহমুদা বেগম একটি ফ্যাক্টরির কাজ করে দেড় লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমান। ওই টাকা শফিকুল ব্যবসা করার জন্য চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান মাহমুদা। ওই টাকা তার মেয়ে মিনুর বিয়ের জন্য গচ্ছিত বলে জানান তিনি। তাই শফিকুল পরিকল্পনা করে, মিনুকে সরিয়ে দিতে পারলেই ওই টাকা পাওয়া যাবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাহমুদা বেগমের অনুপস্থিতিতে শফিকুল গত ৮ জুন রাতে ঘুমন্ত মিনুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরের দিন মিনুর মরদেহ হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের ভাড়া বাসার পাশের জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে কুড়িগ্রাম চলে যান তিনি। 

এদিকে, মিনুকে চাপা দেওয়া মাটি বৃষ্টির পানিতে সরে গিয়ে তার পা বেরিয়ে আসে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী তা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে মিনুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, মিনুর সৎ বাবা শফিকুল ইসলামকে কুড়িগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মিনুকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা/এসএ