শিশুটির অভিভাবককে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
- আপডেট: ০৬:৪১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২
- / ১০৩৫০ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ময়মনসিংহের ত্রিশালের পৌর এলাকায় ট্রাকচাপায় মায়ের পেট ফেটে ভূমিষ্ঠ শিশুটির আইনগত অভিভাবককে আপাতত পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সড়ক পরিবহন আইনের ৫৪ ধারা অনুযায়ী গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ১৫ দিনের মধ্যে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির হায়াত ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন। আদেশে আরও বলা হয়, নবজাতকের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
আদেশে নবজাতকের দেখভাল ও তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করতে সমাজকল্যাণ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রুল জারির পাশাপাশি নবজাতকের কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপ জানিয়ে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রুলে নবজাতকের আইনগত অভিভাবককে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে ট্রাস্টি বোর্ডকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব, সড়ক পরিবহন সচিব, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, সড়ক পরিবহন আইনের ৫৪ ধারায় গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ট্রাক মালিককে এই রুলের জবাব দিতে হবে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রেজাউল হক ও মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন।
এর আগে সোমবার ট্রাকচাপায় মায়ের পেট ফেটে ভূমিষ্ঠ শিশুটির সারাজীবন যাপনের খরচ রাষ্ট্র করবে-এমন নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য ময়মনসিংহের ত্রিশালের পৌর এলাকায় যান অন্তঃসত্ত্বা রত্না বেগম (২৬)। সঙ্গে ছিল স্বামী ও মেয়ে। ওইদিন দুপুরে ত্রিশালের পৌর এলাকার দড়িরামপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ময়মনসিংহগামী মালবাহী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ত্রিশালের মঠবাড়ি ইউনিয়নের রায়মনি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), তার স্ত্রী রত্না এবং আড়াই বছর বয়সী মেয়ে জান্নাত আরা। আর রত্নার গর্ভের সন্তান পেট ফেটে ঘটনাস্থলেই ভূমিষ্ঠ হয়। নির্মমভাবে জন্ম নেওয়া শিশুটির হাত ভেঙে গেছে ওই দুর্ঘটনায়। তাকে ময়মনসিংহের চরপারা লাবীব হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা/এসএম






































