০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

এডিপির বাস্তবায়ন ৯৩ শতাংশ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২
  • / ১০৩৩৬ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। গত ২০২১-২২ অর্থবছর শেষে বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ৯৩ শতাংশ। বাস্তবায়নের এ হার গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আগের অর্থবছরের চেয়ে এ বৃদ্ধি প্রায় ১১ শতাংশ। একক মাস হিসেবেও অর্থবছরের শেষ মাস জুনে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি। এ মাসটিতে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এডিপি বাস্তবায়নের হালনাগাদ তথ্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে এডিপির আকার ছিল দুই লাখ ১৯ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা। ব্যয় হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে (২০২০-২১) ব্যয়ের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৭১ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে বাস্তবায়নের হার ছিল ৮২ শতাংশ। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৮০ শতাংশ।

২০১৮-১৯ এবং ২০১৭-১৮ এই দুই অর্থবছরে ৯৪ শতাংশের বেশি হারে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল। একক মাসের হিসাবে দেখা যায়, গত জুনে এডিপিতে ব্যয় হয়েছে ৬১ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা। আর আগের অর্থবছরের একই সময়ে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৯ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (আরএডিপি) বরাদ্দের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ডে যে গুণগত পরিবর্তন এসেছে, তার বড় প্রমাণ কভিডের মধ্যেও এডিপি বাস্তবায়ন প্রায় ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত হয়েছে। আগের অর্থবছরেরর তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি হয়েছে বাস্তবায়ন। মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (এমটিবিএফ) প্রণয়নের ফলে অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে জটিলতা কমেছে।

এর পরও বছরের প্রথম দিকে এডিপি বাস্তবায়নের ধীরগতির কারণ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিতে হয়। বছরের প্রথম দিকে এসব প্রস্তুতি চলে। এ কারণে বছরের শুরুতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কম থাকে। আবার বর্ষাকালেও উন্নয়ন কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়। এসব কারণে বছরের প্রথম দিকের তুলনায় শেষ দিকে এডিপি বাস্তবায়ন পরিমাণে বেশি থাকে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

এডিপির বাস্তবায়ন ৯৩ শতাংশ

আপডেট: ১২:০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। গত ২০২১-২২ অর্থবছর শেষে বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ৯৩ শতাংশ। বাস্তবায়নের এ হার গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আগের অর্থবছরের চেয়ে এ বৃদ্ধি প্রায় ১১ শতাংশ। একক মাস হিসেবেও অর্থবছরের শেষ মাস জুনে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি। এ মাসটিতে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এডিপি বাস্তবায়নের হালনাগাদ তথ্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে এডিপির আকার ছিল দুই লাখ ১৯ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা। ব্যয় হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে (২০২০-২১) ব্যয়ের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৭১ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে বাস্তবায়নের হার ছিল ৮২ শতাংশ। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৮০ শতাংশ।

২০১৮-১৯ এবং ২০১৭-১৮ এই দুই অর্থবছরে ৯৪ শতাংশের বেশি হারে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল। একক মাসের হিসাবে দেখা যায়, গত জুনে এডিপিতে ব্যয় হয়েছে ৬১ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা। আর আগের অর্থবছরের একই সময়ে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৯ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (আরএডিপি) বরাদ্দের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ডে যে গুণগত পরিবর্তন এসেছে, তার বড় প্রমাণ কভিডের মধ্যেও এডিপি বাস্তবায়ন প্রায় ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত হয়েছে। আগের অর্থবছরেরর তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি হয়েছে বাস্তবায়ন। মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (এমটিবিএফ) প্রণয়নের ফলে অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে জটিলতা কমেছে।

এর পরও বছরের প্রথম দিকে এডিপি বাস্তবায়নের ধীরগতির কারণ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিতে হয়। বছরের প্রথম দিকে এসব প্রস্তুতি চলে। এ কারণে বছরের শুরুতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কম থাকে। আবার বর্ষাকালেও উন্নয়ন কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়। এসব কারণে বছরের প্রথম দিকের তুলনায় শেষ দিকে এডিপি বাস্তবায়ন পরিমাণে বেশি থাকে।

ঢাকা/এসএ