০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

গার্ডার দুর্ঘটনা: ক্রেন চালাচ্ছিলো চালকের সহকারী

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২
  • / ১০৩৬৪ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেট কারের ওপর নির্মাণাধীন বিআরটি প্রকল্পের যে ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য মারা গেছেন সে ক্রেনটি চালাচ্ছিলেন মূল চালকের সহকারী রাকিব হোসেন (২৩)।  

অথচ রাকিবের ক্রেন চালানোর কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, ক্রেনের মূল চালক ছিলেন আল আমিন। তার হালকা যানের লাইসেন্স থাকলেও ভারি যানের লাইসেন্স ছিল না। এছাড়া ঘটনার দিন ক্রেনটি চালাচ্ছিলেন মূল চালক আল আমিনের সহকারী রাকিব। আর মূল চালক আল আমিন বাইরে থেকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের প্যারাডাইস টাওয়ারের সামনে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ক্রেন থেকে গার্ডার ছিটকে প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হন। তারা একটি বৌভাতের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন।

গাড়িটিতে মোট সাতজন যাত্রী ছিলেন। এরমধ্যে দুই শিশু, দুই নারী ও একজন পুরুষ মারা গেছেন।

নিহতরা হলেন- রুবেল (৫০), ঝরণা (২৮), ফাহিমা, জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। গাড়িতে থাকা হৃদয় (২৬) ও রিয়া মনি (২১) নামে নবদম্পতি বেঁচে যান।

নিহত ফাহিমা হলেন নববধূ রিয়া মনির মা। আর ঝরণা হলেন তার খালা। রুবেল সম্পর্কে ফাহিমা-ঝরণার বেয়াই। জান্নাত ও জাকারিয়া ঝরণার সন্তান। ফাহিমা-ঝরণাদের বাড়ি জামালপুরের ইসলামপুরে। আর রুবেলের বাড়ি মেহেরপুরে।

ঘটনার দিন রাতেই নিহত ফাহিমা আক্তার ও ঝরণার ভাই মো. আফরান মণ্ডল বাবু বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অবহেলাজনিতভাবে ক্রেন পরিচালনাকারী চালক, প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

গার্ডার দুর্ঘটনা: ক্রেন চালাচ্ছিলো চালকের সহকারী

আপডেট: ১২:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেট কারের ওপর নির্মাণাধীন বিআরটি প্রকল্পের যে ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য মারা গেছেন সে ক্রেনটি চালাচ্ছিলেন মূল চালকের সহকারী রাকিব হোসেন (২৩)।  

অথচ রাকিবের ক্রেন চালানোর কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, ক্রেনের মূল চালক ছিলেন আল আমিন। তার হালকা যানের লাইসেন্স থাকলেও ভারি যানের লাইসেন্স ছিল না। এছাড়া ঘটনার দিন ক্রেনটি চালাচ্ছিলেন মূল চালক আল আমিনের সহকারী রাকিব। আর মূল চালক আল আমিন বাইরে থেকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের প্যারাডাইস টাওয়ারের সামনে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ক্রেন থেকে গার্ডার ছিটকে প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হন। তারা একটি বৌভাতের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন।

গাড়িটিতে মোট সাতজন যাত্রী ছিলেন। এরমধ্যে দুই শিশু, দুই নারী ও একজন পুরুষ মারা গেছেন।

নিহতরা হলেন- রুবেল (৫০), ঝরণা (২৮), ফাহিমা, জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। গাড়িতে থাকা হৃদয় (২৬) ও রিয়া মনি (২১) নামে নবদম্পতি বেঁচে যান।

নিহত ফাহিমা হলেন নববধূ রিয়া মনির মা। আর ঝরণা হলেন তার খালা। রুবেল সম্পর্কে ফাহিমা-ঝরণার বেয়াই। জান্নাত ও জাকারিয়া ঝরণার সন্তান। ফাহিমা-ঝরণাদের বাড়ি জামালপুরের ইসলামপুরে। আর রুবেলের বাড়ি মেহেরপুরে।

ঘটনার দিন রাতেই নিহত ফাহিমা আক্তার ও ঝরণার ভাই মো. আফরান মণ্ডল বাবু বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অবহেলাজনিতভাবে ক্রেন পরিচালনাকারী চালক, প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঢাকা/টিএ