যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সুদের হার বাড়ানোর তোড়জোড়
- আপডেট: ১২:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২
- / ১০৩৬২ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ আবারও সুদের হার বাড়াবে। তবে এবার আর বড় আকারে নয় বরং অল্প করেই বাড়ানো হবে। এ বছর দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক চার দফায় নীতি সুদহার বাড়িয়েছে। এর মধ্যে জুন ও জুলাইয়ে দুইবার ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪০ বছরে সর্বোচ্চ হয়েছে। গত জুনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয় ৯.১ শতাংশ। তাই ফেডারেল রিজার্ভের জেরোমে পাওয়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমিয়ে আনতে মুদ্রানীতি আরো কঠোর করবে।
তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমরা সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করছি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মন্দা থেকে রক্ষার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে সুদহার বৃদ্ধির বিকল্প নেই।
সর্বশেষ গত মাসের শেষ দিকে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট সুদহার বাড়ায় ফেড। ফলে বছরের শুরুতে যে নীতি সুদহার ছিল শূন্য শতাংশ, তা এখন বেড়ে হয়েছে ২.২৫ থেকে ২.৫০ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বারবার সুদের হার বৃদ্ধির প্রবণতা প্রমাণ করছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই যুদ্ধ চলতেই থাকবে। আরো কঠোর হবে মুদ্রানীতি, যা মন্দাকে অনিবার্য করে তুলবে। রিচমন্ড ফেডারেল রিজার্ভ প্রেসিডেন্ট থোমাস বারকিন বলেন, ‘আগামী ২০ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিনির্ধারকদের বৈঠক হবে, সেখানে সিদ্ধান্ত হবে সুদের হার কতটুকু বাড়ানো হবে। ফলে ফেড কর্মকর্তাদের হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আরো অনেক সময় আছে। কিন্তু কর্মকর্তারা আগেভাগে বলে দেওয়ায় ডলারের দাম বাড়ছে। ’
গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়ে দেয়। ফলে মুদ্রানীতি আরো কঠোর হবে, এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা। এতে পরদিন শুক্রবার আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর বিপরীতে ডলারের দাম প্রায় ০.৫ শতাংশ বেড়েছে। একইভাবে বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি বেঞ্চমার্ক ট্রেজারি ইয়েল্ডের দামও। এর বিপরীতে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল হয় ৯০.১৪ ডলার। একই সঙ্গে ব্রেন্ট তেলের দাম ০.৫৭ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল হয় ৯৬.০৪ ডলার। এর পাশাপাশি কমেছে সোনা এবং রুপার দামও। সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।
ঢাকা/এসএ









































