‘সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে অনুমতি লাগবে না’
- আপডেট: ১২:০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২
- / ১০৪৩৩ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধাসংক্রান্ত আইনের ৪১ (১) ধারাটি সংবিধান পরিপন্থি বলে তা বাতিল করেন হাইকোর্ট। এই বিধানটিকে সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেন আদালত।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
এর আগে বুধবার ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতির বিধান রেখে তিন বছর আগে কার্যকর হওয়া ‘সরকারি চাকরি আইন’ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালত মনে করছে, এমন বিধানের মানে হচ্ছে, বিশেষ একটি গোষ্ঠীকে দায়মুক্তি দেওয়া। শুধু তাই নয়, এমন বিধান দুর্নীতিতে উৎসাহ জোগাবে। সরকারি কর্মচারী আইনে থাকা ‘কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি’ নেওয়ার বিধানের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের উপর বুধবার শুনানির সময় হাইকোর্টের একই বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।
আইনের ৪১ (১) ধারায় বলা হয়েছে, “কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সহিত সম্পর্কিত অভিযোগে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার পূর্বে, তাহাকে গ্রেপ্তার করিতে হইলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।
অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন ৪১(১) ধারায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করা হয়। তিনি বলেন, একই ধরনের সুযোগ দিয়ে ২০১৩ সালে দুদক আইনের ৩২(ক) ধারা প্রণয়ন করে জনস্বার্থে রিট করলে আদালত আইনটিকে বৈষম্যমূলক বলে বাতিল ঘোষণা করেন। একই সুযোগ সরকারিকর্মকর্তা/কর্মচারিদের দেওয়ার জন্য ২০১৮ সালে প্রণীত ওই আইনের ৪১ (১) ধারা আদালতের রায়ের পরিপন্থি।
আরো পড়ুন: জুলাইয়ে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৬ শতাংশ
ঢাকা/এসএ







































