পুলিশি হেফাজতে পিটিআই নেতা শাহবাজ গিলকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করায় ইসলামাবাদ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও একজন নারী বিচারককে ‘ছাড় না দেওয়ার’ ও তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দেন ইমরান খান। এরপর রোববার রাতে তাঁর বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পিটিআই চেয়ারম্যান ওই সমাবেশ থেকে একজন বিচারক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকি-ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এর মূল উদ্দেশ্য, পুলিশ কর্মকর্তা ও বিচার বিভাগকে আইনি বাধ্যবাধকতা পালনে বাধা দেওয়া। ইমরানের বক্তব্যের উদ্দেশ্যই ছিল মানুষের মধ্যে অস্থিরতা ও ভীতি ছড়িয়ে দেওয়া।
আদালতের বাইরে আজ আবারও ওই নারী বিচারকের সমালোচনা করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, তাঁর জনপ্রিয়তার কারণে সরকার ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। এই ভয়ের কারণেই সরকার তাঁকে অন্য উপায়ে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শুধু নিজেদের বাঁচানোর জন্য সরকার দেশকে উপহাসের পাত্রে পরিণত করেছে।
এক টিভি সাক্ষাৎকারে জ্যেষ্ঠ পিটিআই নেতা শাহবাজ গিল সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, দেশের স্বার্থের পরিপন্থী এমন কোনো আদেশ পেলে তাঁরা যেন সেই আদেশ অমান্য করেন। ওই সাক্ষাৎকারের পর শাহবাজ গিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি পুলিশি হেফাজতে।
গত এপ্রিলে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে অপসারিত হন ইমরান খান। এতে করে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়। এর মধ্যে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা হয় ইমরান খানের বিরুদ্ধে। আজ আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিন পাওয়ার মধ্য দিয়ে সেই পরিস্থিতি নতুন দিকে মোড় নিল।
ক্ষমতায় না থাকলেও সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান এখনো দেশটিতে ব্যাপক জনপ্রিয় একজন রাজনীতিক। ক্ষমতা থেকে অপসারিত হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকারের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে সম্প্রতি প্রাদেশিক বেশ কিছু উপনির্বাচনেও সফল হয়েছে তাঁর দল পিটিআই।
আরো পড়ুন: জাতিসংঘে রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ভারত
ঢাকা/এসএ









































