সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। জাপানের টেককেন করপোরেশন ও ওয়াইবিসি এবং বাংলাদেশের আবদুল মোনেম লিমিটেড যৌথভাবে এ সেতুর ঠিকাদার।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এ সেতুর টোলের হার চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। কন্টেইনার বা ভারী মালামাল পরিবহনে সক্ষম যানের টোল ধরা হয়েছে ৫৬৫ টাকা, বড় ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যান ৪৫০ টাকা, মধ্যম ট্রাক ২২৫ টাকা, বড় বাস ২০৫ টাকা, ছোট ট্রাক ১৭০ টাকা, পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর ১৩৫ টাকা, মিনিবাস বা কোস্টার ১১৫ টাকা, মাইক্রোবাস বা পিকআপ ৯০ টাকা, সিডান কার ৫৫ টাকা, টেম্পো বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা ২৫ টাকা, মোটরসাইকেল ১০ টাকা এবং ভ্যান, রিকশা বা বাইসাইকেল ৫ টাকা।
ল্যাম্পপোস্ট ও টোল প্লাজার কাজ চলছে। টোল প্লাজার কাজ এ মাসের মধ্যে শেষ হবে। ল্যাম্পপোস্ট চীনে তৈরি হয়েছে, তা চট্টগ্রাম নৌবন্দরে পৌঁছেছে। সেতুতে বসাতে এক সপ্তাহ লাগবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলেই উদ্বোধন হবে এ সেতু। অক্টোবরের যেকোনো দিন উদ্বোধন হতে পারে।’
প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, এ সেতুর চারটি মূল লেনে দ্রুতগতির ও দুটি লেনে কম গতির যানবাহন চলাচল করবে। সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার। উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার। সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হবে ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
আরো পড়ুন: ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বিক্রম দোরাইস্বামীর বিদায়ী সাক্ষাৎ
ঢাকা/এসএ







































