০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সচিবকে অবসরে পাঠানোর অন্তর্নিহিত কারণ জানেন না তথ্যমন্ত্রী

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:০৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২
  • / ১০৩৭৮ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তথ্য ও সম্প্রচারসচিব মো. মকবুল হোসেনকে ‘বাধ্যতামূলক’ অবসরে পাঠানোর অন্তর্নিহিত কারণ জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্নিহিত কারণ কি, সেটা জানি না। অন্তর্নিহিত কারণ বলতে পারবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।’ এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয় জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে।’ এর আগে গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে সচিব মকবুল হোসেনকে অবসর প্রদান করা হয়।

ধারাটিতে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর যেকোনো সময় সরকার জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অবসর দিতে পারবে। তবে যে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে মকবুল হোসেনকে অবসরে পাঠানোর কথা জানানো হয়। তবে মকবুল হোসেনের চাকরির মেয়াদ আরও বছরখানেক ছিল।

মকবুল হোসেন ২০২১ সালের ৩১ মে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে যোগ দেন। এর আগে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের দশম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন মকবুল হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায়।

আরও পড়ুন: মাসুম আজিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

সচিবকে অবসরে পাঠানোর অন্তর্নিহিত কারণ জানেন না তথ্যমন্ত্রী

আপডেট: ০৫:০৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তথ্য ও সম্প্রচারসচিব মো. মকবুল হোসেনকে ‘বাধ্যতামূলক’ অবসরে পাঠানোর অন্তর্নিহিত কারণ জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্নিহিত কারণ কি, সেটা জানি না। অন্তর্নিহিত কারণ বলতে পারবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।’ এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয় জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে।’ এর আগে গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে সচিব মকবুল হোসেনকে অবসর প্রদান করা হয়।

ধারাটিতে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর যেকোনো সময় সরকার জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অবসর দিতে পারবে। তবে যে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে মকবুল হোসেনকে অবসরে পাঠানোর কথা জানানো হয়। তবে মকবুল হোসেনের চাকরির মেয়াদ আরও বছরখানেক ছিল।

মকবুল হোসেন ২০২১ সালের ৩১ মে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে যোগ দেন। এর আগে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের দশম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন মকবুল হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায়।

আরও পড়ুন: মাসুম আজিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ঢাকা/এসএ