০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

‘বিদেশে অপপ্রচারকারীদের শনাক্তে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার’

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৯:২৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২
  • / ১০৩৭৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: যারা বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, তাদের শনাক্ত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ বুধবার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে সবসময় অপপ্রচার হচ্ছে। মিথ্যাচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ক্রিমিনালগুলো বিদেশে থাকার কারণে এদের সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাই তাদের বিরুদ্ধে কীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, কীভাবে তাদের শনাক্ত করা যায়, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা আরও গভীরভাবে দেখব। 

ডেটাবেস ধরে অপরাধীদের নজরদারি করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, অপরাধীদের একটি ডেটাবেস হয়েছে। সেগুলো দেখে ঘৃণ্য অপরাধে জড়িতদের গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হবে।

আরও পড়ুন: বিনিয়োগে পর্যাপ্ত সুযোগ ও নিরাপত্তা দিচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। এর আগে ঈদুল আজহাও আল্লাহর রহমতে সফলভাবে শেষ হয়েছে। অতীতের মতো এবারো তেমন যানজট ছিল না।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মোজাম্মেল হক বলেন, সীমান্ত এলাকায় তাদের অপতৎপরতা নিয়ে সরকার সচেতন আছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উচ্ছৃঙ্খল লোক আছে, যারা মাদক কারবারে জড়িত। মাদক আনা, পাচার করা বা সরবরাহ করছে তারা। সেগুলোর ওপর আরও বেশি কঠোর নজরদারি রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে রাত্রিকালীন টহল আরও বাড়াতে ও মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীল হতে বলা হয়েছে।

সীমান্ত দিয়ে মাদক আসা বন্ধে কঠোর হবে, যাতে মাদক দেশের ভিতরে আসতে না-পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। কঠোর নজরদারি রাখতে হবে, জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন, কিছু লোক এরমধ্যে হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। ধর্মের নামে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মতৎপরতা ও উন্মাদনা সৃষ্টিতে জড়িত সংগঠনের সঙ্গে তারা জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে যাদের ধরা হচ্ছে, তারাও স্বীকার করে নিয়েছে। সেগুলোর উৎস খুঁজে বের করতে চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে অনেকটা শনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ভেজাল ওষুধপত্র কিংবা খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত বাড়ানো হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিএনপি মাঠে নামছে, সামনের দিনগুলোতে তাদের কীভাবে মোকাবিলা করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে রাজনৈতিক দলগুলো কর্মসূচি দেবেই। তারা মিটিং, মিছিল ও জনসভা করবে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। গুরুত্ব দেওয়ারও কিছু নেই।

মোজাম্মেল হক বলেন, কিন্তু আমাদের সেক্রেটারি বলেছেন, আপনারা মিছিল মিটিংয়ে জাতীয় পতাকা নিয়ে আসেন, তা ভালো কথা। জাতীয় পতাকার যদি নিয়ম মতো কোনো লাঠির মাথায় বেঁধে আনা হয়, তা ঠিক আছে। কিন্তু তা যদি গজারি কিংবা মোটা বাঁশের মাথায় বেঁধে নিয়ে আসেন, তখন তা মানানসই মনে হবে না, মনে হবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিন এসপিকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি রুটিন ওয়ার্ক। আইনেই আছে, ২৫ বছর পর সরকার যেকোনো কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাতে পারে। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মনে হয়েছে হয়তো তাদের কাছে কোনো তথ্য আছে। তাদের সার্ভিস হয়তো সন্তোষজনক নয়।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

‘বিদেশে অপপ্রচারকারীদের শনাক্তে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার’

আপডেট: ০৯:২৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: যারা বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, তাদের শনাক্ত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ বুধবার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে সবসময় অপপ্রচার হচ্ছে। মিথ্যাচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ক্রিমিনালগুলো বিদেশে থাকার কারণে এদের সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাই তাদের বিরুদ্ধে কীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, কীভাবে তাদের শনাক্ত করা যায়, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা আরও গভীরভাবে দেখব। 

ডেটাবেস ধরে অপরাধীদের নজরদারি করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, অপরাধীদের একটি ডেটাবেস হয়েছে। সেগুলো দেখে ঘৃণ্য অপরাধে জড়িতদের গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হবে।

আরও পড়ুন: বিনিয়োগে পর্যাপ্ত সুযোগ ও নিরাপত্তা দিচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। এর আগে ঈদুল আজহাও আল্লাহর রহমতে সফলভাবে শেষ হয়েছে। অতীতের মতো এবারো তেমন যানজট ছিল না।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মোজাম্মেল হক বলেন, সীমান্ত এলাকায় তাদের অপতৎপরতা নিয়ে সরকার সচেতন আছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উচ্ছৃঙ্খল লোক আছে, যারা মাদক কারবারে জড়িত। মাদক আনা, পাচার করা বা সরবরাহ করছে তারা। সেগুলোর ওপর আরও বেশি কঠোর নজরদারি রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে রাত্রিকালীন টহল আরও বাড়াতে ও মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীল হতে বলা হয়েছে।

সীমান্ত দিয়ে মাদক আসা বন্ধে কঠোর হবে, যাতে মাদক দেশের ভিতরে আসতে না-পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। কঠোর নজরদারি রাখতে হবে, জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন, কিছু লোক এরমধ্যে হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। ধর্মের নামে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মতৎপরতা ও উন্মাদনা সৃষ্টিতে জড়িত সংগঠনের সঙ্গে তারা জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে যাদের ধরা হচ্ছে, তারাও স্বীকার করে নিয়েছে। সেগুলোর উৎস খুঁজে বের করতে চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে অনেকটা শনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ভেজাল ওষুধপত্র কিংবা খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত বাড়ানো হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিএনপি মাঠে নামছে, সামনের দিনগুলোতে তাদের কীভাবে মোকাবিলা করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে রাজনৈতিক দলগুলো কর্মসূচি দেবেই। তারা মিটিং, মিছিল ও জনসভা করবে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। গুরুত্ব দেওয়ারও কিছু নেই।

মোজাম্মেল হক বলেন, কিন্তু আমাদের সেক্রেটারি বলেছেন, আপনারা মিছিল মিটিংয়ে জাতীয় পতাকা নিয়ে আসেন, তা ভালো কথা। জাতীয় পতাকার যদি নিয়ম মতো কোনো লাঠির মাথায় বেঁধে আনা হয়, তা ঠিক আছে। কিন্তু তা যদি গজারি কিংবা মোটা বাঁশের মাথায় বেঁধে নিয়ে আসেন, তখন তা মানানসই মনে হবে না, মনে হবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিন এসপিকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি রুটিন ওয়ার্ক। আইনেই আছে, ২৫ বছর পর সরকার যেকোনো কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাতে পারে। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মনে হয়েছে হয়তো তাদের কাছে কোনো তথ্য আছে। তাদের সার্ভিস হয়তো সন্তোষজনক নয়।

ঢাকা/এসএ