১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমানতালে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৩:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১
  • / ১০৩১৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীসহ সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমানতালে পা মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘এইটকু দাবি করতে পারি‑ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রসহ যে কোনও ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমানতালে পা মিলিয়ে চলতে পারে‑ সেই সক্ষমতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তা ধরে রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সেটা মাথায় রাখতে হবে।’ ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। রবিবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদেকে সংবর্ধনা এবং ২০২০-২১ সালের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্তদের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউট

স্বাধীনতার পরে দেশের উন্নয়নে জাতির পিতার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সরকারে আসার পরে একটাই লক্ষ্য ছিল— দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে যে গৌরব পেয়েছিলাম, তা পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই গৌরব ফিরিয়ে এনে জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়ন করবো। আজকে সেই আদর্শকে ধরে রেখে আমরা দেশটা উন্নয়নশীল দেশে রূপ দিতে পেরেছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য— দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক যারা, তারা যদি শিক্ষা, দীক্ষা, প্রশিক্ষণে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন না হয়, তাহলে বাংলাদেশের মর্যাদাও কখনো উন্নত হবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণ, যাদের জন্য জাতির পিতা সারাজীবন ত্যাগ শিকার করেছিলেন। তাদের ভাগ্য আমাদের পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এই কর্মসূচিগুলো শহরকেন্দ্রিক না, একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত যেন তৃণমূলের মানুষ সুফল পায়। সেই পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘এক্ষেত্রে দেশের প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ প্রতিটি স্তরের মানুষ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে, মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফলে একদিকে দুর্যোগ ও দুর্বিপাক যেটাই আসুক না কেন তা মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমরা অর্জন করেছি।’ এর আগে সকালে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানের উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ঢাকা/এমটি 

শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমানতালে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: ০৩:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীসহ সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমানতালে পা মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘এইটকু দাবি করতে পারি‑ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রসহ যে কোনও ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমানতালে পা মিলিয়ে চলতে পারে‑ সেই সক্ষমতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তা ধরে রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সেটা মাথায় রাখতে হবে।’ ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। রবিবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদেকে সংবর্ধনা এবং ২০২০-২১ সালের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্তদের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউট

স্বাধীনতার পরে দেশের উন্নয়নে জাতির পিতার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সরকারে আসার পরে একটাই লক্ষ্য ছিল— দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে যে গৌরব পেয়েছিলাম, তা পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই গৌরব ফিরিয়ে এনে জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়ন করবো। আজকে সেই আদর্শকে ধরে রেখে আমরা দেশটা উন্নয়নশীল দেশে রূপ দিতে পেরেছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য— দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক যারা, তারা যদি শিক্ষা, দীক্ষা, প্রশিক্ষণে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন না হয়, তাহলে বাংলাদেশের মর্যাদাও কখনো উন্নত হবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণ, যাদের জন্য জাতির পিতা সারাজীবন ত্যাগ শিকার করেছিলেন। তাদের ভাগ্য আমাদের পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এই কর্মসূচিগুলো শহরকেন্দ্রিক না, একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত যেন তৃণমূলের মানুষ সুফল পায়। সেই পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘এক্ষেত্রে দেশের প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ প্রতিটি স্তরের মানুষ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে, মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফলে একদিকে দুর্যোগ ও দুর্বিপাক যেটাই আসুক না কেন তা মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমরা অর্জন করেছি।’ এর আগে সকালে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানের উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ঢাকা/এমটি