একজন আমদানিকারক জানান, চীন থেকে প্লাস্টিকের কাঁচামাল আমদানিতে তাঁর কাছে প্রতি ডলার ১০১ টাকা ৫০ পয়সা দাম ধরা হয়েছে। আরেকজন জানান, মেডিকেল সরঞ্জামের কাঁচামাল আমদানিতে গত সোমবার তাঁর কাছে প্রতি ডলারের দাম ধরা হয়েছে ৯৯ টাকা ৯০ পয়সা।
এদিকে ডলার-সংকট মেটাতে সরকারি আমদানি দায় পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। এতে প্রতি ডলারের দাম ধরা হয়েছে ৯৩ টাকা ৯৫ পয়সা।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছে, ঈদের পর প্রবাসী আয়ের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে। ঈদের পরে সাধারণত এমনটাই হয়ে থাকে। এ ছাড়া বেতন-বোনাস দিতে রপ্তানিকারকেরা ঈদের আগেই বিল নগদায়ন করে ফেলেছে। এই কারণে বিদেশি মুদ্রায় তেমন আয় নেই। অন্যদিকে আমদানি থেমে নেই। ফলে নানা উদ্যোগের পরও সংকট কাটছে না।
ডলার-সংকট নিরসনে গত বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) একসঙ্গে চারটি সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সেগুলো হলো ব্যাংকের ডলার ধারণের সীমা (এনওপি) হ্রাস, রপ্তানিকারকের প্রত্যাবাসন কোটায় (ইআরকিউ) ধারণকৃত ডলারের ৫০ শতাংশ নগদায়ন, ইআরকিউ হিসাবে জমা রাখার সীমা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনা এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ইউনিটে স্থানান্তর। এ ছাড়া ৫০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের বেসরকারি যেকোনো আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ২৪ ঘণ্টা আগে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে সংকট কিছুটা কমার আশা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
ঢাকা/এসএ




































