ইউক্রেনের বুচায় গণকবরের সন্ধান
- আপডেট: ১২:০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২
- / ১০৩২৯ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: রাজধানী কিয়েভ ছেড়ে ধীরে ধীরে পিছু হঠেছে রাশিয়ার সেনা। তারপরেই যুদ্ধের ভয়াবহতার ছবি ক্রমশ স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। কিয়েভ থেকে সামান্য দূরে বুচা শহরে একটি গির্জার পাশে ৪৫ ফুট গভীর ট্রেঞ্চ বা গর্তের সন্ধান মিলেছে। সেখানে অসংখ্য সাধারণ মানুষের মৃতদেহ মিলেছে। রাশিয়ার সেনা ওই ব্যক্তিদের উপর অত্যাচার চালানোর পর তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছে, ওই কবর থেকে যাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই সাধারণ মানুষ। সেনা নয়। তাদের শরীরে অত্যাচারের স্পষ্ট চিহ্ন আছে। পিছন থেকে তাদের মাথায় গুলি করা হয়েছে বলেও বোঝা যাচ্ছে। এই ভয়াবহতার বিচার চেয়ে বিশ্ব রাজনীতির কাছে আর্জি জানিয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তার বক্তব্য, ওই একটি কবরই বুঝিয়ে দেয়, রাশিয়া কী কাণ্ড করেছে। এছাড়াও কিয়েভ, বুচাসহ একাধিক শহরে রাস্তায় মৃতদেহ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। বস্তুত, গণকবরের ছবি উদ্ধার হওয়ার পরে বিশ্বের একাধিক দেশ এর বিরোধিতা করেছে। জার্মান চ্যান্সেলর ওলফ শলৎস রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি হবে বলে জানিয়েছেন।
২০০৮ সালে ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য পদ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গেছিল। আমেরিকার উদ্যোগে সে কাজ হচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জার্মানি এবং ফ্রান্স বাধা দেয়। সে সময় জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি। দুই বিশ্বনেতা জানান, ইউক্রেন এখনো ন্যাটো যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়। আরো কিছুদিন পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ইউক্রেনকে সদস্যপদ দিলে রাশিয়া আক্রমণাত্মক মনোভাব নিতে পারে, এই আশঙ্কাতেই ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ম্যার্কেল এবং সারকোজি।
রোববার জেলেনস্কি বলেছেন, ম্যার্কেল এবং সারকোজি গিয়ে ইউক্রেনের গণকবর দেখে আসতে পারেন। তাদের সিদ্ধান্তের জন্যই আজ ইউক্রেনকে এই সংকটে পড়তে হয়েছে। ইউক্রেনের এই পরিস্থিতির জন্য ওই দুই বিশ্বনেতাকে সরাসরি দায়ী করেছে জেলেনস্কি। তবে জেলেনস্কির ওই বক্তব্যের পর জার্মানি বা ফ্রান্স কেউই কোনো মন্তব্য করেনি।
ঢাকা/এসএ






































