০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকের অর্থ লোপাট: সমাধান চেয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের চিঠি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:৪০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ১০৪১৯ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ইসলামী ব্যাংকের থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় তদন্ত চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীসহ পাঁচ গ্রাহক এ চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠি পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, আব্দুল্লাহ সাদিক, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ এবং দুই গ্রাহক যায়েদ বিন আমজাদ ও শায়খুল ইসলাম ইমরান।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা এবং ইংরেজি দৈনিক নিউএজ পত্রিকায় এস আলম গ্রুপ একাই ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা স্বাক্ষরকারীরা ইসলামী ব্যাংকের নিয়মিত গ্রাহক। ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় আমাদের ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে। আমরা সাধ্যমতো ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করে থাকি। সূত্রে উল্লেখিত পত্রিকার প্রতিবেদনে ইসলামী ব্যাংকের নিয়মবহির্ভূত লেনদেন প্রতিভাত হয়েছে। জামানত ছাড়া ঋণ প্রদান, নামসর্বস্ব কোম্পানিকে ঋণ প্রদানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে। ব্যাংকের কর্মচারীসহ প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী ও সুধীজনের ভাষ্যমতে রিপোর্টে উল্লেখিত সংখ্যার চেয়ে প্রকৃত অসাধু লেনদেনের পরিমাণ আরও অনেক গুণ বেশি।

স্বীকৃত মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে। এই ধরনের অসাধু লেনদেন আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অধিকতর অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গ্রাহকসহ জনগণ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সমূহ আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি দেশের সর্বোচ্চ আদালত অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে উম্মা প্রকাশ করেছে।’

আরও পড়ুন: চেক ডিজঅনার মামলার হাইকোর্টের রায় স্থগিত

বিষয়গুলো আমলে নিয়ে গভীরভাবে অনুসন্ধান করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি।

জড়িতদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর বিধান অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও চিঠিতে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

ইসলামী ব্যাংকের অর্থ লোপাট: সমাধান চেয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের চিঠি

আপডেট: ০২:৪০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ইসলামী ব্যাংকের থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় তদন্ত চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীসহ পাঁচ গ্রাহক এ চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠি পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, আব্দুল্লাহ সাদিক, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ এবং দুই গ্রাহক যায়েদ বিন আমজাদ ও শায়খুল ইসলাম ইমরান।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা এবং ইংরেজি দৈনিক নিউএজ পত্রিকায় এস আলম গ্রুপ একাই ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা স্বাক্ষরকারীরা ইসলামী ব্যাংকের নিয়মিত গ্রাহক। ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় আমাদের ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে। আমরা সাধ্যমতো ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করে থাকি। সূত্রে উল্লেখিত পত্রিকার প্রতিবেদনে ইসলামী ব্যাংকের নিয়মবহির্ভূত লেনদেন প্রতিভাত হয়েছে। জামানত ছাড়া ঋণ প্রদান, নামসর্বস্ব কোম্পানিকে ঋণ প্রদানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে। ব্যাংকের কর্মচারীসহ প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী ও সুধীজনের ভাষ্যমতে রিপোর্টে উল্লেখিত সংখ্যার চেয়ে প্রকৃত অসাধু লেনদেনের পরিমাণ আরও অনেক গুণ বেশি।

স্বীকৃত মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে। এই ধরনের অসাধু লেনদেন আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অধিকতর অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গ্রাহকসহ জনগণ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সমূহ আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি দেশের সর্বোচ্চ আদালত অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে উম্মা প্রকাশ করেছে।’

আরও পড়ুন: চেক ডিজঅনার মামলার হাইকোর্টের রায় স্থগিত

বিষয়গুলো আমলে নিয়ে গভীরভাবে অনুসন্ধান করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি।

জড়িতদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর বিধান অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও চিঠিতে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা/এসএ