১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

 ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রকল্প ব্যয় ফের বাড়ানোর প্রস্তাব

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২
  • / ১০৩১৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) জ্বালানি তেল পরিশোধন, মজুত ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতে ২০১৫ সালে নেওয়া হয় একটি প্রকল্প। কিন্তু গত সাত বছরেও শেষ হয়নি দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠানটির ওই কাজ। এরই মধ্যে কয়েক দফায় সংশোধনের কারণে বেড়ে গেছে এর ব্যয়।

তৃতীয় দফায় প্রকল্পটির ব্যয় ও সময় ফের বাড়াতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এতে প্রকল্পের মোট ব্যয় বাড়িয়ে ৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি প্রথম অনুমোদন হওয়া মূল প্রকল্প ব্যয়ের চেয়ে ২ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা বেশি।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লাখ টন থেকে ৪৫ লাখ টনে উন্নীত করা এবং পরিশোধিত তেল মজুত ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন’ নামের ওই প্রকল্পটি নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দুই দফায় প্রকল্পটির ব্যয় বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন হওয়ার সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৪ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। ওই বছরই শুরু হয়ে ২০১৮ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত তিন বছরে শেষ না হওয়ায় ২০১৮ সালে প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে এর মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়।

তবে বর্ধিত মেয়াদেও কাজ শেষ না হওয়ায় ২০১৯ সালে দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে তা ২০২২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ব্যয় ধরা হয় ৬ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। এবার তৃতীয় সংশোধনীর প্রস্তাবে সময় চাওয়া হয়েছে আরও এক বছর। প্রস্তাবনা অনুসারে কাজ চলবে ২০২৩ সাল পর্যন্ত।

প্রকল্প সংশোধন নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনা আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এরপরও তৃতীয় দফায় সংশোধনের সুপারিশ করেছে পরিকল্পনা কমিশন। এ দফা অনুমোদন পেলে তিন বছরের প্রকল্পে সময় লাগছে আট বছর। আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মে) একনেক বৈঠকে অনুমোদনের জন্য সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। একনেক চেয়ারপারসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

 ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রকল্প ব্যয় ফের বাড়ানোর প্রস্তাব

আপডেট: ০৬:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) জ্বালানি তেল পরিশোধন, মজুত ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতে ২০১৫ সালে নেওয়া হয় একটি প্রকল্প। কিন্তু গত সাত বছরেও শেষ হয়নি দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠানটির ওই কাজ। এরই মধ্যে কয়েক দফায় সংশোধনের কারণে বেড়ে গেছে এর ব্যয়।

তৃতীয় দফায় প্রকল্পটির ব্যয় ও সময় ফের বাড়াতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এতে প্রকল্পের মোট ব্যয় বাড়িয়ে ৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি প্রথম অনুমোদন হওয়া মূল প্রকল্প ব্যয়ের চেয়ে ২ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা বেশি।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লাখ টন থেকে ৪৫ লাখ টনে উন্নীত করা এবং পরিশোধিত তেল মজুত ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন’ নামের ওই প্রকল্পটি নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দুই দফায় প্রকল্পটির ব্যয় বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন হওয়ার সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৪ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। ওই বছরই শুরু হয়ে ২০১৮ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত তিন বছরে শেষ না হওয়ায় ২০১৮ সালে প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে এর মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়।

তবে বর্ধিত মেয়াদেও কাজ শেষ না হওয়ায় ২০১৯ সালে দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে তা ২০২২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ব্যয় ধরা হয় ৬ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। এবার তৃতীয় সংশোধনীর প্রস্তাবে সময় চাওয়া হয়েছে আরও এক বছর। প্রস্তাবনা অনুসারে কাজ চলবে ২০২৩ সাল পর্যন্ত।

প্রকল্প সংশোধন নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনা আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এরপরও তৃতীয় দফায় সংশোধনের সুপারিশ করেছে পরিকল্পনা কমিশন। এ দফা অনুমোদন পেলে তিন বছরের প্রকল্পে সময় লাগছে আট বছর। আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মে) একনেক বৈঠকে অনুমোদনের জন্য সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। একনেক চেয়ারপারসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

ঢাকা/এসএ