১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

উৎপাদন বাড়াবে জিপিএইচ ইস্পাত

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
  • / ১০৩০৮ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক; নতুন প্রকল্পের উৎপাদন তথ্য জানিয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত। বর্তমানে এমএস বিলেট উৎপাদনের ৬০-৬৫ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে এবং এটা ক্রমাগত বাড়বে।

গত ৫ অক্টোবর ডিএসই কোম্পানিটির সম্প্রসারিত প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে কোম্পানিটি এ তথ্য জানায়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র জানায়, আর এমএস রড উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫৫-৬০ শতাংশ রয়েছে এবং এটা ক্রমাগত বাড়ছে।

কোম্পানিটি আরও জানায়, মিডিয়াম সেকশন পণ্য যেমন স্টিল বিম, অ্যাঞ্জেল, চ্যানেল, ফ্লাট বার ইত্যাদি এখনও উৎপাদন শুরু হয় কোভিড-১৯ মহামারির কারণে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

উল্লেখ্য, উচ্চবিনিয়োগের ব্যয়বহুল একটি শিল্প ইস্পাত খাত। একটা দেশের উন্নয়ন বিবেচনা করা হয় সে দেশের মাথাপিছু ইস্পাত ব্যবহার কত সেটা গণনা করে। বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু স্টিল ব্যবহারের গড় হিসাব করা হয় ৪৫ কেজি। অর্থনীতি বড় হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ করে সরকারিভাবে অবকাঠামোগত যে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছে আগামী দুই বছরে এ চাহিদা বেড়ে ৭০ কেজি ছাড়িয়ে যাবে। দেশে মূলত লৌহ শিল্পের প্রবৃদ্ধি ঘটছে ১৯৯০ সালের পর থেকে। নব্বই দশকে খাতটিতে একে একে বিনিয়োগে এগিয়ে আসেন উদ্যোক্তারা। তখন রডের কাঁচামাল সহজলভ্য করে জাহাজ ভাঙার পুরনো লোহা। শুরুর তিন দশক সনাতন পদ্ধতিতে থাকলেও পণ্যে বৈচিত্র্য আর উৎপাদনে রূপান্তর ঘটিয়ে মূলত ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের ওপর ভর করে বড় হচ্ছে দেশের ইস্পাত খাত।

শেয়ার করুন

উৎপাদন বাড়াবে জিপিএইচ ইস্পাত

আপডেট: ১২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক; নতুন প্রকল্পের উৎপাদন তথ্য জানিয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত। বর্তমানে এমএস বিলেট উৎপাদনের ৬০-৬৫ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে এবং এটা ক্রমাগত বাড়বে।

গত ৫ অক্টোবর ডিএসই কোম্পানিটির সম্প্রসারিত প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে কোম্পানিটি এ তথ্য জানায়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র জানায়, আর এমএস রড উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫৫-৬০ শতাংশ রয়েছে এবং এটা ক্রমাগত বাড়ছে।

কোম্পানিটি আরও জানায়, মিডিয়াম সেকশন পণ্য যেমন স্টিল বিম, অ্যাঞ্জেল, চ্যানেল, ফ্লাট বার ইত্যাদি এখনও উৎপাদন শুরু হয় কোভিড-১৯ মহামারির কারণে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

উল্লেখ্য, উচ্চবিনিয়োগের ব্যয়বহুল একটি শিল্প ইস্পাত খাত। একটা দেশের উন্নয়ন বিবেচনা করা হয় সে দেশের মাথাপিছু ইস্পাত ব্যবহার কত সেটা গণনা করে। বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু স্টিল ব্যবহারের গড় হিসাব করা হয় ৪৫ কেজি। অর্থনীতি বড় হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ করে সরকারিভাবে অবকাঠামোগত যে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছে আগামী দুই বছরে এ চাহিদা বেড়ে ৭০ কেজি ছাড়িয়ে যাবে। দেশে মূলত লৌহ শিল্পের প্রবৃদ্ধি ঘটছে ১৯৯০ সালের পর থেকে। নব্বই দশকে খাতটিতে একে একে বিনিয়োগে এগিয়ে আসেন উদ্যোক্তারা। তখন রডের কাঁচামাল সহজলভ্য করে জাহাজ ভাঙার পুরনো লোহা। শুরুর তিন দশক সনাতন পদ্ধতিতে থাকলেও পণ্যে বৈচিত্র্য আর উৎপাদনে রূপান্তর ঘটিয়ে মূলত ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের ওপর ভর করে বড় হচ্ছে দেশের ইস্পাত খাত।