০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

এলসির তথ্য প্রেরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • / ১০৩৬৩ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ছবি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ঋণপত্রের (এলসি) সার্বিক তথ্য যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করতে বলা হলেও কোনো কোনো ব্যাংক সে নিয়ম মানছে না। ফলে এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে আবার সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ অপারেশন বিভাগ।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত ব্যাংক শাখাকে অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক এলসির তথ্য যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ইমপোর্ট মনিটরিং সিস্টেমে (ওআইএমএস) রিপোর্ট করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কোনো কোনো ব্যাংক তা করছে না।

এ ছাড়া স্থানীয় বিলের বিপরীতে দেয়া স্বীকৃতির তথ্য কোনো কোনো ইস্যুকারী ব্যাংক ওই ব্যবস্থায় রিপোর্ট করছে না। আবার কোনো কোনো ব্যাংক স্বীকৃতির তথ্য ওআইএমএস থেকে যাচাই না করেই স্থানীয় স্বীকৃত বিল কিনছে। এ কারণে বিল পরিশোধ নিয়ে জটিলতা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ইস্যুকারী ব্যাংক ওআইএমএসে এ ধরনের ঋণপত্রের যে তথ্য দিচ্ছে, তা যাচাই করে বেনিফিশিয়ারির অনুকূলে ‘অ্যাডভাইস’ করতে হবে।

স্থানীয় বিলের বিপরীতে দেয়া স্বীকৃতির তথ্য ইস্যুকারী ব্যাংককে ওআইএমএসে যথাযথভাবে রিপোর্ট এবং স্বীকৃতির বিপরীতে স্থানীয় বিল কেনার ক্ষেত্রে একই সিস্টেম থেকে যাচাই করতে হবে।

ঢাকা/এমআর

শেয়ার করুন

এলসির তথ্য প্রেরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা

আপডেট: ০৬:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ঋণপত্রের (এলসি) সার্বিক তথ্য যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করতে বলা হলেও কোনো কোনো ব্যাংক সে নিয়ম মানছে না। ফলে এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে আবার সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ অপারেশন বিভাগ।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত ব্যাংক শাখাকে অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক এলসির তথ্য যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ইমপোর্ট মনিটরিং সিস্টেমে (ওআইএমএস) রিপোর্ট করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কোনো কোনো ব্যাংক তা করছে না।

এ ছাড়া স্থানীয় বিলের বিপরীতে দেয়া স্বীকৃতির তথ্য কোনো কোনো ইস্যুকারী ব্যাংক ওই ব্যবস্থায় রিপোর্ট করছে না। আবার কোনো কোনো ব্যাংক স্বীকৃতির তথ্য ওআইএমএস থেকে যাচাই না করেই স্থানীয় স্বীকৃত বিল কিনছে। এ কারণে বিল পরিশোধ নিয়ে জটিলতা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ইস্যুকারী ব্যাংক ওআইএমএসে এ ধরনের ঋণপত্রের যে তথ্য দিচ্ছে, তা যাচাই করে বেনিফিশিয়ারির অনুকূলে ‘অ্যাডভাইস’ করতে হবে।

স্থানীয় বিলের বিপরীতে দেয়া স্বীকৃতির তথ্য ইস্যুকারী ব্যাংককে ওআইএমএসে যথাযথভাবে রিপোর্ট এবং স্বীকৃতির বিপরীতে স্থানীয় বিল কেনার ক্ষেত্রে একই সিস্টেম থেকে যাচাই করতে হবে।

ঢাকা/এমআর