১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ওয়াসার এমডি ও মেয়রের বিচার চান নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ১০৪০৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ঢাকা শহরের মানুষ ৫০ লাখ কেজি মল ও ১৫০ কোটি লিটার মূত্র উৎপাদন করে। ঢাকা ওয়াসার দায়িত্ব ছিল এগুলো শোধন করা, কিন্তু এগুলো সিটি করপোরেশনের পানি নিষ্কাশন নালার মাধ্যমে নদ–নদীতে গিয়ে পরে, বলেন মনজুর আহমেদ চৌধুরী।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ওয়াসার এমডি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রকে মোবাইল কোর্টের সম্মুখীন করব আমরা। চাইব যেন তাঁদের ছয় মাসের জেল, চার লাখ টাকা জরিমানা হয়। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার খালগুলোর অবস্থাও এখন ভালো নয়। কিন্তু অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান। তিনি বরং দক্ষিণের মেয়রকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। ধন্যবাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, খালের দূষিত পানি যাতে নদীতে গিয়ে না পড়ে সে জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র খালের মুখে বর্জ্য শোধনাগার করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী ও পরিবেশ নিয়ে এখন কিছুটা রাজনীতি হচ্ছে। নদী ও পরিবেশ নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে বল অভিযোগ করেন তিনি।

ঢাকার চারপাশের নদ–নদী রক্ষায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় যথাযথ চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকার চারপাশের নদ–নদী অবৈধ দখলের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি দখলমুক্ত করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ কাজটি ভালোভাবে করেছে। প্রতিমন্ত্রী আশা করেন, ঢাকার চারপাশের নদ–নদীকে ঘিরে যে চ্যালেঞ্জ, সেই চ্যালেঞ্জে তিনি জয়ী হবেন।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় অধ্যাপক আইনুন নিশাত, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডির নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত জেলা জজ হিসেবে ১১২ বিচারকের পদোন্নতি

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

ওয়াসার এমডি ও মেয়রের বিচার চান নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান

আপডেট: ০৭:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ঢাকা শহরের মানুষ ৫০ লাখ কেজি মল ও ১৫০ কোটি লিটার মূত্র উৎপাদন করে। ঢাকা ওয়াসার দায়িত্ব ছিল এগুলো শোধন করা, কিন্তু এগুলো সিটি করপোরেশনের পানি নিষ্কাশন নালার মাধ্যমে নদ–নদীতে গিয়ে পরে, বলেন মনজুর আহমেদ চৌধুরী।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ওয়াসার এমডি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রকে মোবাইল কোর্টের সম্মুখীন করব আমরা। চাইব যেন তাঁদের ছয় মাসের জেল, চার লাখ টাকা জরিমানা হয়। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার খালগুলোর অবস্থাও এখন ভালো নয়। কিন্তু অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান। তিনি বরং দক্ষিণের মেয়রকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। ধন্যবাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, খালের দূষিত পানি যাতে নদীতে গিয়ে না পড়ে সে জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র খালের মুখে বর্জ্য শোধনাগার করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী ও পরিবেশ নিয়ে এখন কিছুটা রাজনীতি হচ্ছে। নদী ও পরিবেশ নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে বল অভিযোগ করেন তিনি।

ঢাকার চারপাশের নদ–নদী রক্ষায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় যথাযথ চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকার চারপাশের নদ–নদী অবৈধ দখলের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি দখলমুক্ত করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ কাজটি ভালোভাবে করেছে। প্রতিমন্ত্রী আশা করেন, ঢাকার চারপাশের নদ–নদীকে ঘিরে যে চ্যালেঞ্জ, সেই চ্যালেঞ্জে তিনি জয়ী হবেন।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় অধ্যাপক আইনুন নিশাত, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডির নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত জেলা জজ হিসেবে ১১২ বিচারকের পদোন্নতি

ঢাকা/এসএ