০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

গড়ে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে ৭ কোটি ডলার

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২
  • / ১০৩১৬ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রমজান ও ঈদ সামনে রেখে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি অর্থ পাঠায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এপ্রিল মাসের প্রথম ১৩ দিনে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠিয়েছে প্রায় ৯৩ কোটি ডলার। এতে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স আসছে ৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার। পুরো মাসে এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগের অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স বাড়বে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের অর্থবছরের এপ্রিল মাসে মোট ২০৬ কোটি ৭৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই মাসে দৈনিক গড় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। আর গেল মাসে এসেছে ৬ কোটি ডলার।

চলতি অর্থবছরে সার্বিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি কম। জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৫৩০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল এক হাজার ৮৬০ কোটি ডলার। ফলে রেমিট্যান্স কমেছে ৩৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছিল।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমলেও আমদানি বাড়ছে ব্যাপকহারে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে এক হাজার ৫৩০ কোটি ডলারের আমদানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৪৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর উঠেছে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায়। বাড়তি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে। যে কারণে গত আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ২০ এপ্রিল ৪৪ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এ কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরে এলসি খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

গড়ে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে ৭ কোটি ডলার

আপডেট: ০২:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রমজান ও ঈদ সামনে রেখে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি অর্থ পাঠায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এপ্রিল মাসের প্রথম ১৩ দিনে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠিয়েছে প্রায় ৯৩ কোটি ডলার। এতে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স আসছে ৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার। পুরো মাসে এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগের অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স বাড়বে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের অর্থবছরের এপ্রিল মাসে মোট ২০৬ কোটি ৭৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই মাসে দৈনিক গড় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। আর গেল মাসে এসেছে ৬ কোটি ডলার।

চলতি অর্থবছরে সার্বিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি কম। জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৫৩০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল এক হাজার ৮৬০ কোটি ডলার। ফলে রেমিট্যান্স কমেছে ৩৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছিল।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমলেও আমদানি বাড়ছে ব্যাপকহারে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে এক হাজার ৫৩০ কোটি ডলারের আমদানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৪৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর উঠেছে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায়। বাড়তি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে। যে কারণে গত আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ২০ এপ্রিল ৪৪ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এ কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরে এলসি খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঢাকা/এসএ