০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২
  • / ১০৩৫৩ বার দেখা হয়েছে

প্রতিকী ছবি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরা এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রুবেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, সেখানকার একটি স্কুলে ওই ব্যক্তি লুকিয়েছিলেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন গণমাধ্যমকে বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা একজন মুদিদোকানি এবং মাংস ব্যবসায়ী। তার মা এবং বোনও ওই দোকানে বসে। আর রুবেল সেই দোকানের কর্মচারী। তিন মাস ধরে তিনি এখানে চাকরি করছিলো।

দোকানের সঙ্গে ছিল তাদের (ভুক্তভোগীর) বাসা। রুবেল প্রতিদিনই সেই বাসায় যেতো। ১২ জুলাই বকেয়া টাকা আদায়ে বাইরে যায় ভুক্তভোগীর বাবা। বাবা বাইরে যাওয়ায় সেদিন দোকানে বসেছিলো ভুক্তভোগীর মা ও বোন। আর এই সুযোগে টিভি দেখবে বলে বাসায় যায় রুবেল। বাসায় স্কুলছাত্রীকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

ওসি মহসীন আরও বলেন, রাতে সবাই বাসায় ফিরলে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি সব বলে দেয়। এটা জানতে পেরে রুবেল পালিয়ে টাঙ্গাইলে চলে যায়। পরে মেয়েটির পরিবার থানায় মামলা করলে টাঙ্গাইল সদর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট: ০২:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরা এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রুবেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, সেখানকার একটি স্কুলে ওই ব্যক্তি লুকিয়েছিলেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন গণমাধ্যমকে বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা একজন মুদিদোকানি এবং মাংস ব্যবসায়ী। তার মা এবং বোনও ওই দোকানে বসে। আর রুবেল সেই দোকানের কর্মচারী। তিন মাস ধরে তিনি এখানে চাকরি করছিলো।

দোকানের সঙ্গে ছিল তাদের (ভুক্তভোগীর) বাসা। রুবেল প্রতিদিনই সেই বাসায় যেতো। ১২ জুলাই বকেয়া টাকা আদায়ে বাইরে যায় ভুক্তভোগীর বাবা। বাবা বাইরে যাওয়ায় সেদিন দোকানে বসেছিলো ভুক্তভোগীর মা ও বোন। আর এই সুযোগে টিভি দেখবে বলে বাসায় যায় রুবেল। বাসায় স্কুলছাত্রীকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

ওসি মহসীন আরও বলেন, রাতে সবাই বাসায় ফিরলে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি সব বলে দেয়। এটা জানতে পেরে রুবেল পালিয়ে টাঙ্গাইলে চলে যায়। পরে মেয়েটির পরিবার থানায় মামলা করলে টাঙ্গাইল সদর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা/এসএ