০৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

চীনের আরও অর্ধকোটি টিকা ঢাকায়

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১১:৫১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১
  • / ১০৩০৮ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: চীনের সিনোফার্মের করোনা প্রতিরোধী বিবিআইবিপি-করভি টিকার আরও ৫৫ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় টিকা। দেশে গণটিকা শুরু হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড দিয়ে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আনা হয় সে টিকা। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডোজ কেনার চুক্তি করে সরকার। তবে ৭০ লাখ টিকা দিয়ে সংকটের কারণ দেখিয়ে সে সময় আর টিকা দেয়নি ভারত। সাত মাস পর অক্টোবরে ২০ লাখ টিকা পাঠিয়েছে সিরাম।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বর্তমানে সংকট কাটলেও ভারত থেকে টিকার জোগান আশানুরূপ নয়। সে তুলনায় চীনের সিনোফার্মের টিকা আসছে বেশি। ক্রয়চুক্তির বাইরে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার ৫৫ লাখ, ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩০ লাখ ৫৯ হাজার ৩৮৭ ডোজ টিকা এসেছে দেশে। তিনি বলেন, ‘চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ করোনা টিকা রাত ১টার দিকে ঢাকায় আসে। এই টিকা গ্রহণ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তারা।’ এর আগে ৩১ আগস্ট চীনের সিনোফার্মের বিবিআইবিপি-করভি টিকার ৫৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৫০ ডোজ দেশে পৌঁছে। চুক্তির পর দেশে আসা এটাই ছিল চীনের সবচেয়ে বড় টিকার চালান। কেনার পাশাপাশি চীন থেকে উপহার ও কোভ্যাক্সের মাধ্যমেও ৫৫ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকা/এমটি 

শেয়ার করুন

চীনের আরও অর্ধকোটি টিকা ঢাকায়

আপডেট: ১১:৫১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: চীনের সিনোফার্মের করোনা প্রতিরোধী বিবিআইবিপি-করভি টিকার আরও ৫৫ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় টিকা। দেশে গণটিকা শুরু হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড দিয়ে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আনা হয় সে টিকা। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডোজ কেনার চুক্তি করে সরকার। তবে ৭০ লাখ টিকা দিয়ে সংকটের কারণ দেখিয়ে সে সময় আর টিকা দেয়নি ভারত। সাত মাস পর অক্টোবরে ২০ লাখ টিকা পাঠিয়েছে সিরাম।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বর্তমানে সংকট কাটলেও ভারত থেকে টিকার জোগান আশানুরূপ নয়। সে তুলনায় চীনের সিনোফার্মের টিকা আসছে বেশি। ক্রয়চুক্তির বাইরে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার ৫৫ লাখ, ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩০ লাখ ৫৯ হাজার ৩৮৭ ডোজ টিকা এসেছে দেশে। তিনি বলেন, ‘চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ করোনা টিকা রাত ১টার দিকে ঢাকায় আসে। এই টিকা গ্রহণ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তারা।’ এর আগে ৩১ আগস্ট চীনের সিনোফার্মের বিবিআইবিপি-করভি টিকার ৫৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৫০ ডোজ দেশে পৌঁছে। চুক্তির পর দেশে আসা এটাই ছিল চীনের সবচেয়ে বড় টিকার চালান। কেনার পাশাপাশি চীন থেকে উপহার ও কোভ্যাক্সের মাধ্যমেও ৫৫ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকা/এমটি