০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জামায়াতের মন্টুসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২
  • / ১০৩৩৮ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নওগাঁ জামায়াতের সাবেক নেতা রেজাউল করিম মন্টুসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারকের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার এ রায় দেন। 

আসামিরা হলেন- নওগাঁর মো. রেজাউল করিম মন্টু, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. শহিদ মণ্ডল। তাদের মধ্যে নজরুল ইসলাম পলাতক। বাকি দুজন কারাগারে আছেন। রায় ঘোষণার সময় মন্টু ও শহিদ আদালতে ছিলেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তাদের পক্ষে আদালতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, আবুল কালাম আজাদ ও তাপস কুমার বল।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় নওগাঁয় সাতজনকে হত্যার পাশাপাশি আরও অনেককে অবৈধভাবে আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠণ ও অগ্নিসংযোগে সম্পদ ধ্বংসের আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

আসামিদের মধ্যে রেজাউল করিম মন্টু ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী জয়পুরহাট জেলার আমির ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মন্টু তখন থেকেই ছিলেন জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয়। বাকি দুই আসামি জামায়াতের সমর্থক।

তিন আসামির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত দল। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।পরের বছর মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগে তাদের অভিযুক্ত করে বিচার শুরু হয়। এ মামলার ৩১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ২৬ মে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

জামায়াতের মন্টুসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট: ১২:১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নওগাঁ জামায়াতের সাবেক নেতা রেজাউল করিম মন্টুসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারকের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার এ রায় দেন। 

আসামিরা হলেন- নওগাঁর মো. রেজাউল করিম মন্টু, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. শহিদ মণ্ডল। তাদের মধ্যে নজরুল ইসলাম পলাতক। বাকি দুজন কারাগারে আছেন। রায় ঘোষণার সময় মন্টু ও শহিদ আদালতে ছিলেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তাদের পক্ষে আদালতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, আবুল কালাম আজাদ ও তাপস কুমার বল।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় নওগাঁয় সাতজনকে হত্যার পাশাপাশি আরও অনেককে অবৈধভাবে আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠণ ও অগ্নিসংযোগে সম্পদ ধ্বংসের আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

আসামিদের মধ্যে রেজাউল করিম মন্টু ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী জয়পুরহাট জেলার আমির ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মন্টু তখন থেকেই ছিলেন জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয়। বাকি দুই আসামি জামায়াতের সমর্থক।

তিন আসামির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত দল। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।পরের বছর মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগে তাদের অভিযুক্ত করে বিচার শুরু হয়। এ মামলার ৩১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ২৬ মে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

ঢাকা/এসএ