০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ঝুলন্ত পুলিশ কর্মকর্তার দেহরক্ষী ছিলো আত্মহননকারী কনস্টেবল

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:৩১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২
  • / ১০৩৮৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা থেকে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে, একই জেলা থেকে মাহমুদুল হাসান (২৩) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মাথায় গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, পুলিশ কনস্টেবল নিজ অস্ত্রে আত্মহনন করে। এর আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলো কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান।

বুধবার (২০ জুলাই) রাতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামের নানাবাড়ি থেকে অ্যাডিশনাল এসপির মরদেহ উদ্ধার হয়। আর বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে মাহমুদুল হাসানের মরদেহ পাওয়া যায় মাগুরা পুলিশ লাইনসের ব্যারাকের ছাদে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

লাবনী আক্তার মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদের পাড়া ইউনিয়নের পরালিদহ গ্রামের শফিকুল আজমের মেয়ে। তিনি খুলনা ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলো। আর মাহমুদুল হাসান নিজের সরকারি অস্ত্র দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছে। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরে। তিনি দেড় মাস আগে মাগুরায় বদলি হয়। এর আগে তিনি খুলনা কর্মরত ছিলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কামরুল হাসান। তিনি জানায়, দুজনের লাশই উদ্ধার করা হয়েছে।  

কামরুল হাসান বলে, এক সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতো মাগুরায় পুলিশ লাইনসের ব্যারাকের ছাদে আত্মহনন করা পুলিশ কনেস্টবল মাহমুদুল হাসান। তবে তাদের মৃত্যুর ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

ঝুলন্ত পুলিশ কর্মকর্তার দেহরক্ষী ছিলো আত্মহননকারী কনস্টেবল

আপডেট: ০২:৩১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা থেকে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে, একই জেলা থেকে মাহমুদুল হাসান (২৩) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মাথায় গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, পুলিশ কনস্টেবল নিজ অস্ত্রে আত্মহনন করে। এর আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলো কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান।

বুধবার (২০ জুলাই) রাতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামের নানাবাড়ি থেকে অ্যাডিশনাল এসপির মরদেহ উদ্ধার হয়। আর বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে মাহমুদুল হাসানের মরদেহ পাওয়া যায় মাগুরা পুলিশ লাইনসের ব্যারাকের ছাদে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

লাবনী আক্তার মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদের পাড়া ইউনিয়নের পরালিদহ গ্রামের শফিকুল আজমের মেয়ে। তিনি খুলনা ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলো। আর মাহমুদুল হাসান নিজের সরকারি অস্ত্র দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছে। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরে। তিনি দেড় মাস আগে মাগুরায় বদলি হয়। এর আগে তিনি খুলনা কর্মরত ছিলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কামরুল হাসান। তিনি জানায়, দুজনের লাশই উদ্ধার করা হয়েছে।  

কামরুল হাসান বলে, এক সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতো মাগুরায় পুলিশ লাইনসের ব্যারাকের ছাদে আত্মহনন করা পুলিশ কনেস্টবল মাহমুদুল হাসান। তবে তাদের মৃত্যুর ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

ঢাকা/এসএ