নারীর উন্নয়নে বাধা নির্যাতন-সহিংসতা
- আপডেট: ০৬:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২
- / ১০৩৩০ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: নির্যাতন ও সহিংসতা নারীদের সবধরনের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।
মঙ্গলবার (২১ জুন) রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে তৃতীয় কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরামের দ্বিতীয় দিনে ‘এনগেজিং মেন অ্যান্ড বয়েজ: অ্যান্ডিং ভায়োলেন্স এগেইনিস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লস’ সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
তিনি বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবার থেকেই সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশ সরকার জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
এ লক্ষ্যে সরকার পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সুরক্ষা আইন, বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন, যৌতুক নিরোধ আইন, ডিএনএ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ প্রণয়ন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন বিচার ট্রাইবুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ডিজিটাল ব্যবস্থায় নারীদের নিরাপত্তার জন্য সাইবার সিকিউরিটি ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করা হয়েছে।
সংশোধিত শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ও ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ করা হয়েছে। আইনের কঠোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা নির্ভর করে সামাজিক অবস্থা ও মূল্যবোধের ওপর। আমরা রাতারাতি সামাজিক অবস্থা বদলে ফেলতে পারি না তবে ধীরে ধীরে তা পরিবর্তন করতে পারব। নারী নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, নারী নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, সেল ও ট্রমা হেল্প সেন্টারকে উত্তম চর্চা হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ অনুসরণ করছে। আট হাজার কিশোর-কিশোরী ক্লাবের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন করতে সহিংসতা, বাল্য বিয়ে ও যৌতুক রোধ বিষয়ে কিশোর-কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
‘এনগেজিং মেন অ্যান্ড বয়েজ: অ্যান্ডিং ভায়োলেন্স এগেইনিস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লস’ সেশনে আরও বক্তা হিসেবে ছিলেন ক্যামেরূনের সার্ভাইভারস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আওয়া ফ্রান্সিকা আম্বুলি, ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন আফ্রিকার পরিচালক টোইন ওজোরা সারাকি, সিচেলিসের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী সেলিন জিয়ালর, দক্ষিণ আফ্রিকার বাফানা কুমালা ও কানাডার হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভের পরিচালক সেনেহ ওরাসসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।







































