০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নয়াপল্টনে বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:২৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ১০৩৬১ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে সামনে রেখে চলমান রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিএনপির সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনার সূত্রপাত। প্রায় ৪টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।  

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ সিনিয়র কয়েকজন নেতা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন। অফিসের নিচে অবস্থান করছিলেন নেতাকর্মীরা। দুপুর আড়াইটার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান নেয় কার্যালয়ের সামনে। এরপর ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। তবে ঠিক কী নিয়ে সংঘর্ষের শুরু তা জানা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত এলাকায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। আর বিএনপির কর্মীরা বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়েছেন। রাজপথে বের হয়ে এসে ইটপাটকেল ছুঁড়ছেন তারা। টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় পুরো এলাকা ছেয়ে গেছে। পুলিশ দফায় দফায় টিয়ার শেল ছুঁড়ছে।

এরসময় ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সরেজমিনে থাকা একাধিক সংবাদকর্মী জানিয়েছের, বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত ও একজন পুলিশ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে। 

সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও মাঠে নেমেছে। 

আরও পড়ুন: বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বার্থে সমুদ্রকে নিরাপদ রাখা আবশ্যক: প্রধানমন্ত্রী

এর আগে দুপুর ১২টা থেকেই নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান এবং অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করে পুলিশ। ফকিরাপুল, কাকরাইল এলাকাও তারা টহল দেয়। বিকাল ৪টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কতজন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে সাংবাদিকদের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ বানচাল করতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরত নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। যতই হামলা করা হোক আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হবে।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

নয়াপল্টনে বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

আপডেট: ০৪:২৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে সামনে রেখে চলমান রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিএনপির সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনার সূত্রপাত। প্রায় ৪টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।  

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ সিনিয়র কয়েকজন নেতা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন। অফিসের নিচে অবস্থান করছিলেন নেতাকর্মীরা। দুপুর আড়াইটার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান নেয় কার্যালয়ের সামনে। এরপর ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। তবে ঠিক কী নিয়ে সংঘর্ষের শুরু তা জানা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত এলাকায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। আর বিএনপির কর্মীরা বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়েছেন। রাজপথে বের হয়ে এসে ইটপাটকেল ছুঁড়ছেন তারা। টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় পুরো এলাকা ছেয়ে গেছে। পুলিশ দফায় দফায় টিয়ার শেল ছুঁড়ছে।

এরসময় ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সরেজমিনে থাকা একাধিক সংবাদকর্মী জানিয়েছের, বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত ও একজন পুলিশ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে। 

সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও মাঠে নেমেছে। 

আরও পড়ুন: বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বার্থে সমুদ্রকে নিরাপদ রাখা আবশ্যক: প্রধানমন্ত্রী

এর আগে দুপুর ১২টা থেকেই নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান এবং অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করে পুলিশ। ফকিরাপুল, কাকরাইল এলাকাও তারা টহল দেয়। বিকাল ৪টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কতজন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে সাংবাদিকদের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ বানচাল করতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরত নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। যতই হামলা করা হোক আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হবে।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

ঢাকা/টিএ