০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পদ্মা ব্যাংকের বাবুল চিশতীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২
  • / ১০৩৯৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতি ওরফে বাবুল চিশতিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ৬৯ কোটি টাকা আত্মাসাতের অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিয়মের তোয়াক্কা না করে বন্ধকী সম্পত্তির অতি মূল্যায়ন দেখিয়ে তারা অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সোমবার (১৩ জুন) দুদকের কমিশন সভায় অভিযোগপত্রটি অনুমোদন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

চার্জশিটভুক্ত অন্য পাঁচ আসামি হলেন- মেসার্স রোজবার্গ অটো রাইস মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হযরত আলী, রোজবার্গের পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন, দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড শেরপুর শাখার প্রধান ও সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার উত্তম বড়ুয়া, ফার্মার্স ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম এম শামীম ও সিটি সার্ভে লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. খায়রুল আলম।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তারা অসৎ উদ্দেশ্যে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে ঋণের নামে ব্যাংকিং নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বন্ধকী সম্পত্তির অতি মূল্যায়ন দেখিয়ে নিজ পদের অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ৫৮ কোটি টাকা, যার স্থিতি ৬৯ কোটি ৫৮ লাখ তুলে আত্মসাৎ ও আত্মসাতের সহযোগিতা করেছেন। পরবর্তী সময়ে এ অর্থের অবৈধ প্রকৃতি গোপন করতে লক্ষ্যে স্থানান্তর, হস্তান্তরপূর্বক লেয়ারিং করা ও লেয়ারিং কাজে সহযোগিতা করেছেন।

দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের তাদের বিরুদ্ধে বর্ণিত ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন করে কমিশন।

এরআগে গত ১২ জুন পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের (সাবেক দ্য ফারমার্স ব্যাংক) পাঁচ শাখা থেকে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১২ প্রতিষ্ঠানের ঋণ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর নেতৃত্বে একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন। টিমের অন্য সদস্য হলেন- সহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান।

দুদকের তলবি চিঠিতে চাহিদাকৃত নথিপত্র ও রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি ১৬ জুনের মধ্যে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পদ্মা ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও’র কাছে এসব নথি চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

পদ্মা ব্যাংকের বাবুল চিশতীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আপডেট: ০৬:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতি ওরফে বাবুল চিশতিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ৬৯ কোটি টাকা আত্মাসাতের অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিয়মের তোয়াক্কা না করে বন্ধকী সম্পত্তির অতি মূল্যায়ন দেখিয়ে তারা অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সোমবার (১৩ জুন) দুদকের কমিশন সভায় অভিযোগপত্রটি অনুমোদন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

চার্জশিটভুক্ত অন্য পাঁচ আসামি হলেন- মেসার্স রোজবার্গ অটো রাইস মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হযরত আলী, রোজবার্গের পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন, দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড শেরপুর শাখার প্রধান ও সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার উত্তম বড়ুয়া, ফার্মার্স ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম এম শামীম ও সিটি সার্ভে লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. খায়রুল আলম।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তারা অসৎ উদ্দেশ্যে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে ঋণের নামে ব্যাংকিং নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বন্ধকী সম্পত্তির অতি মূল্যায়ন দেখিয়ে নিজ পদের অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ৫৮ কোটি টাকা, যার স্থিতি ৬৯ কোটি ৫৮ লাখ তুলে আত্মসাৎ ও আত্মসাতের সহযোগিতা করেছেন। পরবর্তী সময়ে এ অর্থের অবৈধ প্রকৃতি গোপন করতে লক্ষ্যে স্থানান্তর, হস্তান্তরপূর্বক লেয়ারিং করা ও লেয়ারিং কাজে সহযোগিতা করেছেন।

দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের তাদের বিরুদ্ধে বর্ণিত ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন করে কমিশন।

এরআগে গত ১২ জুন পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের (সাবেক দ্য ফারমার্স ব্যাংক) পাঁচ শাখা থেকে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১২ প্রতিষ্ঠানের ঋণ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর নেতৃত্বে একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন। টিমের অন্য সদস্য হলেন- সহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান।

দুদকের তলবি চিঠিতে চাহিদাকৃত নথিপত্র ও রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি ১৬ জুনের মধ্যে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পদ্মা ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও’র কাছে এসব নথি চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা/টিএ