পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্ত যথাযথ তদারকির নির্দেশ
- আপডেট: ০৬:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২
- / ১০৪০২ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: আবাসন প্রকল্পের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তগুলো যথাযথভাবে তদারকির আদেশ প্রদানের মাধ্যমে বিল রক্ষায় বেলা’র দায়েরকৃত আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রোববার (১১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতির হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতে বেলা’র পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী। রয়েল হোমস লিমিটেডের পক্ষে শুনানি করেন ড. মাহবুব মোর্শেদ।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
এর আগে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুরি, ভারেরা, মেদী ও লোহাজুরি নামে বিল ভরাট ও বিলে রয়েল হোমস লিমিটেডের ‘রয়েল সিটি’ ও দক্ষিণ সুরমা সিটি লিমিটেডের ‘সোনারগাঁ আবাসিক এলাকা’ নামে প্রকল্প নির্মাণের বিরুদ্ধে একটি জনস্বার্থমূলক মামলা (৪৪০০/২০০৯) দায়ের করে। মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট আবাসন কোম্পানিগুলোকে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রাপ্তির জন্য পরিবেশ অধিদফতরের চাওয়া সব তথ্য প্রদান ও শর্ত পূরণ করার নির্দেশ দিয়ে রায় প্রদান করেন। রায়ে আদালত আবাসন কোম্পানিগুলো যাতে যথাযথ অনুমোদন পায়, সে বিষয়ে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পরিবেশ অধিদফতরকে নির্দেশ প্রদান করেন।
পরে সে রায়ের বিরুদ্ধে বেলা সিভিল আপিল (২৮৮/২০১৭) দায়ের করে। সে আপিল আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আপিল বিভাগ আবাসন প্রকল্প দুটিকে পরিবেশ অধিদফতর কর্তৃক প্রদত্ত পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তগুলো যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কিনা, তা তদারকি করতে পরিবেশ অধিদফতরকে আদেশ প্রদান করেন। পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তগুলোর মাঝে অন্যতম শর্ত হলো— প্রকল্পটির কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোনও প্রকার জলাভূমি ভরাট করা যাবে না।
আরও পড়ুন: জলবায়ু অভিযোজনে ২৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
প্রসঙ্গত, সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৪ নম্বর কুচাই ইউনিয়নের বিশাল এলাকাজুড়ে একটি প্রাকৃতিক জলাভূমি রয়েছে, যা ‘কাউয়ার হাওর’ নামে পরিচিত। এই হাওরের বিভিন্ন মৌজায় ও দাগে বিশাল এলাকাজুড়ে জলাধীন কুরি, ভারেরা মেদী ও লোহাজুরি নামে ৪টি বিল রয়েছে। বিলগুলোর প্রায় ১১২.৫০ একর জমি ভরাট করে সেখানে উল্লিখিত আবাসন কোম্পানি দুটি তাদের আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ আবাসন প্রতিষ্ঠান দুটি কোনোরকম অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ব্যতীতই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের জরিমানা করলেও পরিবেশ অধিদফতর পরবর্তীকালে নিজ অবস্থানের বাইরে গিয়ে প্রকল্প দুইটির অনুকূলে শর্তসাপেক্ষে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান করে।
ঢাকা/এসএ





































