১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা নির্ধারণ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১০:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০২৫৫ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিদেশগামী যাত্রীদের পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জাররা সর্বোচ্চ ৩০০টাকা ফি নিতে পারবেন। এনডোর্সমেন্টের পরিমাণ বেশি হলেও এই নির্ধারিত ফি’র বেশি আদায় করা যাবে না।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জিএফইটি ২০১৮-অনুযায়ী মানি চেঞ্জাররা বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক ভ্রমণ ভাতার আওতায় বিদেশি নোট, কয়েন ও ট্রাভেলার্স চেক বিক্রি করতে পারবেন। এ সময় যাত্রীর পাসপোর্ট ও বিমান টিকিটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে এনডোর্সমেন্ট করতে হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মানি চেঞ্জাররা অবশ্যই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে এনডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা— এ তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের কাছ থেকে ফি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে এবং আদায় করা ফি’র সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগে জারি করা অন্যান্য সার্কুলারের নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ কমবে এবং গ্রাহক সেবায় স্বচ্ছতা বাড়বে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা নির্ধারণ

আপডেট: ১০:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশগামী যাত্রীদের পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জাররা সর্বোচ্চ ৩০০টাকা ফি নিতে পারবেন। এনডোর্সমেন্টের পরিমাণ বেশি হলেও এই নির্ধারিত ফি’র বেশি আদায় করা যাবে না।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জিএফইটি ২০১৮-অনুযায়ী মানি চেঞ্জাররা বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক ভ্রমণ ভাতার আওতায় বিদেশি নোট, কয়েন ও ট্রাভেলার্স চেক বিক্রি করতে পারবেন। এ সময় যাত্রীর পাসপোর্ট ও বিমান টিকিটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে এনডোর্সমেন্ট করতে হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মানি চেঞ্জাররা অবশ্যই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে এনডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা— এ তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের কাছ থেকে ফি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে এবং আদায় করা ফি’র সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগে জারি করা অন্যান্য সার্কুলারের নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ কমবে এবং গ্রাহক সেবায় স্বচ্ছতা বাড়বে।

ঢাকা/এসএইচ