০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পীরের আলমারিতে আড়াই কোটি টাকা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২
  • / ১০৩৫৫ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: কুমিল্লায় পীরের আলমারি থেকে আড়াই কোটি টাকা পাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তিনি বলেন, পীর বিশা পাগলা একজন ফকির ছিলেন। তিনি তার বাসভবনের সামনে প্রতিবছর ওরস করতেন। সেখানে সমবেত হতো তার শত শত ভক্ত। তারা মানতের জন্য টাকা, গরু, মহিষসহ বিভিন্ন জিনিস দান করতো। সেসব টাকা থেকে হয়তো জমা করেছেন বিশা পাগলা। তার আলমারিতে এত টাকা থাকার বিষয়ে আমরা চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিতে একজন ১ম শ্রেণির গেজেটভুক্ত কর্মকর্তা, থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর নবী আছেন। তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (৮ জুলাই) তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আধ্যাত্মিক ফকির আমির হোসেন ওরফে বিশা পাগলা মারা যান। মারা যাওয়ার পর তার দরবারে থাকা বড় বড় পাতিলের বণ্টন নিয়ে স্বজনদের মধ্যে সংকট বাঁধলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী বিষয়টি পরে সমাধান করার আশ্বাস দেন। পরে গত মঙ্গলবার (১২ জুলাই) বিশা পাগলার ঘর খুলে তার আলমারিতে টাকার সমাহার পাওয়া যায়। সেসব টাকা গুনে ২ কোটি ৪৫ টাকা হয়েছে। সেসব টাকা বিশা পাগলার স্বজনদের নামে যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে সেখানে রাখা হয়েছে। 

বিশা পাগলার ইচ্ছা ছিল জমি কিনে মসজিদ করার। সেসব টাকায় তার ইচ্ছে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী। 

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

পীরের আলমারিতে আড়াই কোটি টাকা

আপডেট: ০৭:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: কুমিল্লায় পীরের আলমারি থেকে আড়াই কোটি টাকা পাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তিনি বলেন, পীর বিশা পাগলা একজন ফকির ছিলেন। তিনি তার বাসভবনের সামনে প্রতিবছর ওরস করতেন। সেখানে সমবেত হতো তার শত শত ভক্ত। তারা মানতের জন্য টাকা, গরু, মহিষসহ বিভিন্ন জিনিস দান করতো। সেসব টাকা থেকে হয়তো জমা করেছেন বিশা পাগলা। তার আলমারিতে এত টাকা থাকার বিষয়ে আমরা চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিতে একজন ১ম শ্রেণির গেজেটভুক্ত কর্মকর্তা, থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর নবী আছেন। তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (৮ জুলাই) তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আধ্যাত্মিক ফকির আমির হোসেন ওরফে বিশা পাগলা মারা যান। মারা যাওয়ার পর তার দরবারে থাকা বড় বড় পাতিলের বণ্টন নিয়ে স্বজনদের মধ্যে সংকট বাঁধলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী বিষয়টি পরে সমাধান করার আশ্বাস দেন। পরে গত মঙ্গলবার (১২ জুলাই) বিশা পাগলার ঘর খুলে তার আলমারিতে টাকার সমাহার পাওয়া যায়। সেসব টাকা গুনে ২ কোটি ৪৫ টাকা হয়েছে। সেসব টাকা বিশা পাগলার স্বজনদের নামে যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে সেখানে রাখা হয়েছে। 

বিশা পাগলার ইচ্ছা ছিল জমি কিনে মসজিদ করার। সেসব টাকায় তার ইচ্ছে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী। 

ঢাকা/টিএ