এডিবির মুখ্য অর্থনীতিবিদ তাদাতেরু হায়াশি বলেন, এডিবির এই সহায়তা শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সরকারের লক্ষ্যের প্রতি সমর্থন জানাবে। এই কর্মসূচি রপ্তানি পণ্য ও গন্তব্যের বৈচিত্র্য আনতে সহায়তা ছাড়াও উন্নত যোগাযোগের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করবে।
এডিবির এই সহায়তায় ৭৭৬ কোটি টাকা নীতিভিত্তিক ঋণ রয়েছে, যা দেশের শুল্ক আইনি কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, কার্গো ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়ার উন্নতি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতা জোরদারসহ বিভিন্ন সংস্কারে ব্যবহার করা যাবে।
এ ছাড়া নীতি সংস্কারের সহায়ক হিসেবে ৪৫৭ কোটি টাকায় আখাউড়া, সোনামসজিদ ও তামাবিল সীমান্তে বাংলাদেশ ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি (বিএলপিএ) ও এনবিআরের মাধ্যমে সমন্বিত স্থল শুল্ক স্টেশন ও স্থলবন্দর নির্মাণ করা হবে। উন্নত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স এবং কার্গো পরিবহনের জন্য স্থাপন করা হবে সহায়ক সরঞ্জাম।
এডিবি বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তা তহবিল থেকে ১২৯ কোটি টাকার কারিগরি সহায়তা অনুদান দেবে, যা দিয়ে শুল্ক আইনি কাঠামোর আধুনিকীকরণ ও সীমান্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় শুল্ক সুবিধার কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হবে। সীমান্তগুলোতে অত্যাধুনিক শুল্ক কার্যক্রম বাস্তবায়নে এনবিআরের সক্ষমতা জোরদারের পাশাপাশি এনবিআর ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
ঢাকা/টিএ




































