০৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বায়ুদূষণ রোধে বিধিমালার পরিবর্তে আইন প্রণয়নের আহ্বান এনএলপির

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২
  • / ১০২৯১ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দেশে বায়ুদূষণ ঠেকাতে বিধিমালার পরিবর্তে ‘নির্মল বায়ু আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি পুরনায় বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ন্যাচার লাভিং পিপল (এনএলপি)। ২০১৯ সালে নির্মল বায়ু আইনের খসড়া প্রণীত হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী, সচিব ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে এ আহ্বান জানায় সংগঠনটি। সংগঠনের সভাপতি এহসানুল হক জসীম ডাকযোগে এ চিঠি পাঠান।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালে নির্মল বায়ু আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি। এ নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। এর মধ্যেই জানা গেলো, এখন আর এ আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে না। বিধিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

‘দেশে বায়ুদূষণ যে মাত্রায় পৌঁছেছে, তাতে বিধিমালা দিয়ে কাজ হবে না। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে অতি শিগগির আইন প্রণয়ন করে নানা উদ্যোগ নিতে হবে। আইন প্রণয়নের পর এর অধীনে বিধিমালা প্রণয়ন করা যেতে পারে।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, বায়ুদূষণে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ প্রায়ই শীর্ষস্থানে থাকে। ঢাকা মহানগরী ছাড়াও দেশের বেশকিছু শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়ানক পর্যায়ে থাকে। অখচ, এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলাদা কোনো আইন নেই।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাসিন্দাদের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ কোনো না কোনোভাবে বায়ুদূষণের শিকার হচ্ছেন। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ বায়ুদূষিত এলাকায় বসবাস করেন। বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ লাখ ২৩ হাজার মানুষ মারা যান।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

বায়ুদূষণ রোধে বিধিমালার পরিবর্তে আইন প্রণয়নের আহ্বান এনএলপির

আপডেট: ০৫:১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দেশে বায়ুদূষণ ঠেকাতে বিধিমালার পরিবর্তে ‘নির্মল বায়ু আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি পুরনায় বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ন্যাচার লাভিং পিপল (এনএলপি)। ২০১৯ সালে নির্মল বায়ু আইনের খসড়া প্রণীত হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী, সচিব ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে এ আহ্বান জানায় সংগঠনটি। সংগঠনের সভাপতি এহসানুল হক জসীম ডাকযোগে এ চিঠি পাঠান।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালে নির্মল বায়ু আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি। এ নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। এর মধ্যেই জানা গেলো, এখন আর এ আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে না। বিধিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

‘দেশে বায়ুদূষণ যে মাত্রায় পৌঁছেছে, তাতে বিধিমালা দিয়ে কাজ হবে না। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে অতি শিগগির আইন প্রণয়ন করে নানা উদ্যোগ নিতে হবে। আইন প্রণয়নের পর এর অধীনে বিধিমালা প্রণয়ন করা যেতে পারে।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, বায়ুদূষণে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ প্রায়ই শীর্ষস্থানে থাকে। ঢাকা মহানগরী ছাড়াও দেশের বেশকিছু শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়ানক পর্যায়ে থাকে। অখচ, এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলাদা কোনো আইন নেই।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাসিন্দাদের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ কোনো না কোনোভাবে বায়ুদূষণের শিকার হচ্ছেন। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ বায়ুদূষিত এলাকায় বসবাস করেন। বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ লাখ ২৩ হাজার মানুষ মারা যান।

ঢাকা/টিএ