বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ইসির সংলাপ আজ
- আপডেট: ১০:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০২২
- / ১০৩৩৪ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (২২ মার্চ) সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অবশ্য সংলাপে যাওয়ার ব্যাপারে আমন্ত্রিত বিশিষ্টজনদের কেউ দ্বিধায় আছে, কেউ অনীহা দেখিয়েছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
ইসি সূত্র জানায়, আজকের সংলাপে দেশের ৪০ জন বিশিষ্টজনকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ৩৯ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে দুজন দেশের বাইরে আছে। আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের মধ্যে আছে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, সাবেক আমলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা।
রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এ সংলাপেও কোনো সুফল আসবে না বলে মনে করছেন বিশ্নেষকরা। কারণ এর আগেও নাগরিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিরা ইসির সঙ্গে সংলাপ করেছেন এবং সুপারিশও দিয়েছেন, যা কোনো কাজে আসেনি।
এর ফলে সংলাপে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে বিশিষ্টজনের আগ্রহও কমে যাচ্ছে। যেমন, গত ১৩ মার্চের সংলাপে বর্তমান কমিশন ৩০ জন শিক্ষাবিদকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু অংশ নিয়েছেন মাত্র ১৩ জন। আজকের (২২মার্চ) বৈঠকেও অধিকাংশ আমন্ত্রিত অংশ নেবেন না বলে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ধারণা।
২০০৭ সালের এক-এগারোর পর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়িত্ব পাওয়া সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন প্রথম সংলাপ করে। তখন বিএনপির সংস্কারপন্থিরা সংলাপে অংশ নিলেও আরেক অংশ বর্জন করে।
এরপর নির্বাচনী আইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। এ সংলাপের সুপারিশের আলোকেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথাসহ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। তখন রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করে ইসির কিছু সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়। পরে নতুন সংসদ গঠিত হলেও ইসির সুপারিশ কোনো কাজে আসেনি। বরং ওই সংসদে সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত করা হয়।
হুদা কমিশনের সংলাপে আওয়ামী লীগ দু’দফায় অংশ নিলেও বিএনপির কোন পক্ষ ইসির আমন্ত্রণ পাবে, তা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে আইনি লড়াই আদালত পর্যন্ত গড়ায়। রিট মামলা নিষ্পত্তির পর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল বিএনপির একাংশের সঙ্গে সংলাপ হয়। এরপর কাজী রকিব কমিশনের (২০১২-২০১৭) পক্ষ থেকে সংলাপের আয়োজন করা হলেও তাতে অংশ নেয়নি বিএনপি। ওই সংলাপের উল্লেখযোগ্য কোনো সুপারিশও সরকারের কাছে তুলে ধরেনি রকিব কমিশন।
ঢাকা/এসএ







































