০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

ব্যাংকের জন্য আমদানি পণ্যের কনটেইনার ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২
  • / ১০৩০০ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রপ্তানির পর এবার আমদানি পণ্য পরিবহনেও জাহাজ ও কনটেইনার ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানির আড়ালে অর্থ পাচার ঠেকানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়। এর আগে গত ২০ এপ্রিলের এক নির্দেশনার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্যে ট্র্যাকিং পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আমদানিতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনেকে সন্দেহ করছেন। আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচার হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। ডলারের দর বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় ডলারের খরচ কমাতে নানামুখী পদক্ষেপ চলমান। বিলাসবহুল পণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ ও বিদেশ ভ্রমণ সীমিত করা হয়েছে। এর পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের দাম দ্রুতগতিতে বাড়ছে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, জাহাজ বা কনটেইনার ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আমদানি পণ্য পরিবহনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবে ব্যাংক। এতে আমদানি মূল্য পরিশোধে ঝুঁকি কমবে। ট্র্যাকিংয়ে কোনো সন্দেহ হলে আমদানিকারকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

ব্যাংকের জন্য আমদানি পণ্যের কনটেইনার ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক

আপডেট: ০৪:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: রপ্তানির পর এবার আমদানি পণ্য পরিবহনেও জাহাজ ও কনটেইনার ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানির আড়ালে অর্থ পাচার ঠেকানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়। এর আগে গত ২০ এপ্রিলের এক নির্দেশনার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্যে ট্র্যাকিং পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আমদানিতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনেকে সন্দেহ করছেন। আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচার হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। ডলারের দর বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় ডলারের খরচ কমাতে নানামুখী পদক্ষেপ চলমান। বিলাসবহুল পণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ ও বিদেশ ভ্রমণ সীমিত করা হয়েছে। এর পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের দাম দ্রুতগতিতে বাড়ছে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, জাহাজ বা কনটেইনার ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আমদানি পণ্য পরিবহনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবে ব্যাংক। এতে আমদানি মূল্য পরিশোধে ঝুঁকি কমবে। ট্র্যাকিংয়ে কোনো সন্দেহ হলে আমদানিকারকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে।

ঢাকা/এসএ