১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে বিএসইসি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০২৭৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ জানিয়েছে, রবি আজিয়াটার সাম্প্রতিক আর্থিক রিপোর্ট, তথ্য প্রকাশের সঠিকতা এবং বিদ্যমান আইন-নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে পরিচালন ব্যয়কে মূলধনি ব্যয় হিসেবে দেখানোর অভিযোগ তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কমিশন যাচাই করবে, এতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র লুকানো হয়েছে কি না, এবং এ ধরনের লেনদেন থেকে আর্থিক সুবিধা কারা পেয়েছে।

সিইও, সিএফও এবং অডিট কমিটির ভূমিকা পর্যালোচনার আওতায় আসবে। এর পাশাপাশি, রবি আজিয়াটার চেয়ারম্যান থায়াপারান এস সাংগারাপিল্লাইয়ের ইডটকো গ্রুপে দীর্ঘমেয়াদী পরিচালক পদ এবং রবি-ইডটকোর লেনদেনের স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা যাচাই করা হবে।

দুই স্বতন্ত্র পরিচালক আখতার সানজিদা কাশেম ও কামরান বকরের পদত্যাগের পেছনে ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ এবং সাংগারাপিল্লাই নেতৃত্বে পরিচালিত অভ্যন্তরীণ তদন্তের নিরপেক্ষতাও অনুসন্ধানের অংশ। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডার সুরক্ষা এবং করপোরেট সুশাসনের নীতি মেনে চলেছে কি না, তাও যাচাই হবে।

রবির ২০২১ ও ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, এবং শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্ন যেমন আইনি খরচ ও ফরেনসিক খরচের জবাব প্রদান করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।

বিএসইসি জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য যে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট অন্য যেকোনো বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে বিএসইসি

আপডেট: ০১:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ জানিয়েছে, রবি আজিয়াটার সাম্প্রতিক আর্থিক রিপোর্ট, তথ্য প্রকাশের সঠিকতা এবং বিদ্যমান আইন-নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে পরিচালন ব্যয়কে মূলধনি ব্যয় হিসেবে দেখানোর অভিযোগ তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কমিশন যাচাই করবে, এতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র লুকানো হয়েছে কি না, এবং এ ধরনের লেনদেন থেকে আর্থিক সুবিধা কারা পেয়েছে।

সিইও, সিএফও এবং অডিট কমিটির ভূমিকা পর্যালোচনার আওতায় আসবে। এর পাশাপাশি, রবি আজিয়াটার চেয়ারম্যান থায়াপারান এস সাংগারাপিল্লাইয়ের ইডটকো গ্রুপে দীর্ঘমেয়াদী পরিচালক পদ এবং রবি-ইডটকোর লেনদেনের স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা যাচাই করা হবে।

দুই স্বতন্ত্র পরিচালক আখতার সানজিদা কাশেম ও কামরান বকরের পদত্যাগের পেছনে ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ এবং সাংগারাপিল্লাই নেতৃত্বে পরিচালিত অভ্যন্তরীণ তদন্তের নিরপেক্ষতাও অনুসন্ধানের অংশ। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডার সুরক্ষা এবং করপোরেট সুশাসনের নীতি মেনে চলেছে কি না, তাও যাচাই হবে।

রবির ২০২১ ও ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, এবং শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্ন যেমন আইনি খরচ ও ফরেনসিক খরচের জবাব প্রদান করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।

বিএসইসি জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য যে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট অন্য যেকোনো বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

ঢাকা/এসএইচ