০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

‘রাজনৈতিক কোনো প্রেশারের প্রশ্নই আসে না’: সিইসি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:২৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২
  • / ১০৩৫০ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদকঃ কোনো প্রকার রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনো প্রেশারের প্রশ্নই আসে না। রাজনীতির কোনো প্রেশার আমাদের কারও মধ্যেই নেই। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করি, স্বাধীনভাবে কাজ করব। সফলতা কি হয় সেটা ভবিষ্যৎ বলতে পারবে।’

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মঙ্গলবার (১ মার্চ) সকাল ১০টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন নবনিযুক্ত সিইসি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো চাপ অনুভব করছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করে সিইসি বলেন, ‘প্রেশার যেমন- আমার নিজেরই হাই ব্লাড প্রেশার আছে। আর যদি বলেন, দায়িত্বের একটু প্রেশার। হয়তো আগে এতদিন রাস্তায় হেঁটে বেড়াতাম এখন ওইভাবে হেঁটে বেড়াই না। পায়ে শিকল পড়ে গেছে। ওইটার জন্য চলাফেরার গতি একটু কমে গেছে। যার ফলে ওই প্রেশারটুকু আছে আর কি।’

সিইসি বলেন,  ‘সমঝোতা সবকিছু একই কথা। আমরা আরও বসব। কিভাবে সেটা করা যাবে আমরা চিন্তা ভাবনা করে আমাদের কমিশনের ভেতরে নিজস্ব মিটিং করে এর ডিটেইল ওয়ার্কআউট করতে হবে। আমি মোটা দাগে বলেছি, সেটা সমঝোতার কথা বলেছি। কিন্তু স্পেসিফিকলি আমরা কীভাবে প্রসিড করব, কীভাবে আগাব, সেইটা আমাদেরকে আরও চিন্তা ভাবনা করতে হবে। যথাসময়ে আপনারা জানবেন, আপনাদের জানাব। এটা এখনও আমাদের জন্য একটু প্রিম্যাচিউরড। কারণ আমরা ওই বিষয়ের কনক্রিট যে বিষয়গুলো এখনও নিরূপণ করতে পারিনি।’

নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির মন্তব্য প্রসঙ্গে সিইসি বলেন,  ‘বিএনপি কী বলেছে সেটা আপনিও শুনেছেন, আমিও শুনেছি। এই একি কথা বারবার আসছে। এখন আমাদের ওপর যেহেতু একটা দায়িত্ব আসছে যে আগামী নির্বাচনটা করার জন্য; কীভাবে তাদের আমরা যোগাযোগ করব, কীভাবে মোকাবিলা করব এগুলো পরে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে চেষ্টা করব। আমি যথাসময়ে জানাব। আমরা মোটা দাগে বলেছি, আমরা প্রত্যাশা করি রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যেও একটা সমঝোতা, তাদের মধ্যেও আলাপ-আলোচনা প্রত্যাশা করি। আমরা এই আশা অভিপ্রায়টা ব্যক্ত করেছি।’

এ সময় তার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, আহসান হাবিব খান, মো. আলমগীর, আনিছুর রহমান ও নির্বাচন কমিশন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান ও সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজহারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/এমআর

শেয়ার করুন

‘রাজনৈতিক কোনো প্রেশারের প্রশ্নই আসে না’: সিইসি

আপডেট: ১২:২৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদকঃ কোনো প্রকার রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনো প্রেশারের প্রশ্নই আসে না। রাজনীতির কোনো প্রেশার আমাদের কারও মধ্যেই নেই। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করি, স্বাধীনভাবে কাজ করব। সফলতা কি হয় সেটা ভবিষ্যৎ বলতে পারবে।’

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

মঙ্গলবার (১ মার্চ) সকাল ১০টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন নবনিযুক্ত সিইসি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো চাপ অনুভব করছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করে সিইসি বলেন, ‘প্রেশার যেমন- আমার নিজেরই হাই ব্লাড প্রেশার আছে। আর যদি বলেন, দায়িত্বের একটু প্রেশার। হয়তো আগে এতদিন রাস্তায় হেঁটে বেড়াতাম এখন ওইভাবে হেঁটে বেড়াই না। পায়ে শিকল পড়ে গেছে। ওইটার জন্য চলাফেরার গতি একটু কমে গেছে। যার ফলে ওই প্রেশারটুকু আছে আর কি।’

সিইসি বলেন,  ‘সমঝোতা সবকিছু একই কথা। আমরা আরও বসব। কিভাবে সেটা করা যাবে আমরা চিন্তা ভাবনা করে আমাদের কমিশনের ভেতরে নিজস্ব মিটিং করে এর ডিটেইল ওয়ার্কআউট করতে হবে। আমি মোটা দাগে বলেছি, সেটা সমঝোতার কথা বলেছি। কিন্তু স্পেসিফিকলি আমরা কীভাবে প্রসিড করব, কীভাবে আগাব, সেইটা আমাদেরকে আরও চিন্তা ভাবনা করতে হবে। যথাসময়ে আপনারা জানবেন, আপনাদের জানাব। এটা এখনও আমাদের জন্য একটু প্রিম্যাচিউরড। কারণ আমরা ওই বিষয়ের কনক্রিট যে বিষয়গুলো এখনও নিরূপণ করতে পারিনি।’

নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির মন্তব্য প্রসঙ্গে সিইসি বলেন,  ‘বিএনপি কী বলেছে সেটা আপনিও শুনেছেন, আমিও শুনেছি। এই একি কথা বারবার আসছে। এখন আমাদের ওপর যেহেতু একটা দায়িত্ব আসছে যে আগামী নির্বাচনটা করার জন্য; কীভাবে তাদের আমরা যোগাযোগ করব, কীভাবে মোকাবিলা করব এগুলো পরে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে চেষ্টা করব। আমি যথাসময়ে জানাব। আমরা মোটা দাগে বলেছি, আমরা প্রত্যাশা করি রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যেও একটা সমঝোতা, তাদের মধ্যেও আলাপ-আলোচনা প্রত্যাশা করি। আমরা এই আশা অভিপ্রায়টা ব্যক্ত করেছি।’

এ সময় তার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, আহসান হাবিব খান, মো. আলমগীর, আনিছুর রহমান ও নির্বাচন কমিশন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান ও সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজহারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/এমআর