১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

লেনদেনে ১০ কোম্পানির আধিপত্য

শফীউল সুমন:
  • আপডেট: ০৪:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ১০৭৯৫ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ছবি

দেশের পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে গুটিকয়েক কোম্পানিকে ঘিরে চলছে লেনদেন। লেনদেনের ক্ষেত্রে এখন আর আগের মতো কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল অবস্থা কিংবা ডিভিডেন্ডের বিবেচনা করা হয় না। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীই আইটেমের সন্ধানে ছুটছেন। পরিণতিতে পুঁজিবাজারের মোট লেনদেনে গুটিকয়েক কোম্পানির আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহেও (১১-১৫ ডিসেম্বর) যার ব্যতিক্রম হয়নি। এ সময় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেনের ৩৭ শতাংশই ছিলো ১০ কোম্পানির দখলে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আলোচ্য সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৪৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এর মধ্যে ১০ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯০৭ কোটি ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যা মোট লেনদেনের ৩৬.৯৭ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হচ্ছে:- সালভো কেমিক্যাল, ইন্ট্রাকো সিএনজি, মুন্নু সিরামিক, বসুন্ধরা পেপার, জেনেক্স ইনফোসিস, আমরা নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ওরিয়ন ফার্মা, মুন্নু এগ্রো মেশিনারি এবং ইস্টার্ন হাউজিং।

সালভো কেমিক্যাল: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২ কোটি ৭৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৪৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৭৫ কোটি ৪৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৭.১৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৬১ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৬২ টাকা থেকে ৬৬ টাকা ৫০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) সালভো কেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ০.৬৩ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৫৫ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.২৮ টাকা থেকে ০.২৫ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৫.১৬ টাকায় ওঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: সুশাসন ও সংস্কারের অভাবে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে ব্যাংক খাত: সিপিডি

বি ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১১ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৬৫ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৬ কোটি ৫০ লাখ ২২ হাজার ৭৯৩টি। এরমধ্যে চলতি বছরের অক্টোবর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ২২.১৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৮.৭৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৬৬.০৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ইন্ট্রাকো সিএনজি: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৩ কোটি ১৬ লাখ ৫৪ হাজার ৬২১টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৪১ কোটি ৫৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫.৭৭ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৪৫ টাকা ৬০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ টাকা ২০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.৫১ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৩ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ০.৩৯ টাকা থেকে বেড়ে ০.৫৬ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১২.৭২টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৮ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৯ কোটি ৮২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫০টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩০.০৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২০.৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৯.০৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

মুন্নু সিরামিক: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৭৮ লাখ ৮ হাজার ৪৬৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.০১ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ১৩৮ টাকা ৩০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১১৮ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১৩৮ টাকা ৩০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.০৪ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.২১ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.০৮ টাকা থেকে কমে ০.৫৬ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৮৩.০৫ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ১৯৮৩ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৩৭ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৭৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৩ কোটি ৭৭ লাখ ২৪ হাজার ৩১৭টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৪৮.৩০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১১.৮৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.১৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৬.৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

বসুন্ধরা পেপার: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ১ কোটি ৮ লাখ ২১ হাজার ৯৮টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।যার বাজার মূল্য ৮৬ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.৫৩ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৭৯ টাকা ৬০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৭৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৮২ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.২০ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৯ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ৩.৪৩ টাকা থেকে ঋণাত্বক ৭.৪৮ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৭৫.৫২ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৮ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ১৭৩ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৪৬৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৭০.৮৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৭.১০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২২.০৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

জেনেক্স ইনফোসিস: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৮৪ লাখ ৫ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭৬ কোটি ৭১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.১২ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৮ টাকা ৮০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৯২ টাকা ২০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.৩৯ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.২৯ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.৭৫ টাকা থেকে ১.৭৪ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৮.১০ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৯ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ১৩৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩০.০৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৪.৯১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

আমরা নেটওয়ার্ক: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ১ কোটি ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৪৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।যার বাজার মূল্য ৭৪ কোটি ৯৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.০৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৫৭ টাকা ৪০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৫৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫৭ টাকা ৬০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.০৪ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৪৮ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ০.৩০ টাকা থেকে ০.৬৯ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩৭.৭৪ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৫৯ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৯৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৫ কোটি ৯০ লাখ ৩৪ হাজার ৮৬৫টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩৩.০৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৬.৯৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩০.০১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৩১ অক্টোবর ২০২২ এ কোম্পানিটির শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিলো ৩৯.৮৯ শতাংশ। মাসের ব্যবধানে সাধারণ বিনিয়োগকারী কমেছে ৯.৮৮ শতাংশ।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৬২ লাখ ১০ হাজার ৬৩৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭৩ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.০১ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ১১৭ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১১৫ টাকা থেকে ১২১.৮০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ৩.৯৮ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪.৩৪ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ৫.৪৪ টাকা থেকে বেড়ে ৬.৬১ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৭৬.৫০ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ১৯৭৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ১৫২ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৩০২ কোটি ১১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ১৫ কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ০৪০টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে সরকারের হাতে ৫২.১০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৩.৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ওরিয়ন ফার্মা: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৮২ লাখ ৮ হাজার ৫৩৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭২ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.৯৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৬.৩০ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮৬.২০ টাকা থেকে ৮৯.৭০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.৭২ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩০ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.৫২ টাকা থেকে বেড়ে ২.২৫ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৯২.৬৫ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ২৩৪ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৮৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ২৩ কোটি ৪০ লাখটি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩১.৯৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২০.৪২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ১.১৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৬.৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

মুন্নু এগ্রো: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৭ লাখ ২ হাজার ৪৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৫৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.৩৬ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৩৬.৮০ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮২০.৩০ টাকা থেকে ৮৫৭.৭০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.৬৭ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৬ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ঋণাত্বক ১.৭৩ টাকা থেকে ১.৬১ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৭৪.৬৪ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ১৯৮২ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ২৩৪ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৮৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ২৩ কোটি ৪০ লাখটি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩৫.৬৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১০.১৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.০৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫৪.১৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ইস্টার্ন হাউজিং: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৫৮ লাখ ৪৬ হাজার ৪০৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৪৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.০২ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৪ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮২ টাকা থেকে ৮৬.৩০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.০৪ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৭৫ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ৩.১২ টাকা থেকে বেড়ে ৭.৬২ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৭৫.৭৫ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৯৩ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৬০৪ কোটি ৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৫৩টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৫০.৩৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৭.৮২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.৩২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩১.৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

বিজনেস জার্নাল/ঢাকা

ট্যাগঃ

শেয়ার করুন

লেনদেনে ১০ কোম্পানির আধিপত্য

আপডেট: ০৪:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

দেশের পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে গুটিকয়েক কোম্পানিকে ঘিরে চলছে লেনদেন। লেনদেনের ক্ষেত্রে এখন আর আগের মতো কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল অবস্থা কিংবা ডিভিডেন্ডের বিবেচনা করা হয় না। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীই আইটেমের সন্ধানে ছুটছেন। পরিণতিতে পুঁজিবাজারের মোট লেনদেনে গুটিকয়েক কোম্পানির আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহেও (১১-১৫ ডিসেম্বর) যার ব্যতিক্রম হয়নি। এ সময় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেনের ৩৭ শতাংশই ছিলো ১০ কোম্পানির দখলে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আলোচ্য সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৪৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এর মধ্যে ১০ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯০৭ কোটি ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যা মোট লেনদেনের ৩৬.৯৭ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হচ্ছে:- সালভো কেমিক্যাল, ইন্ট্রাকো সিএনজি, মুন্নু সিরামিক, বসুন্ধরা পেপার, জেনেক্স ইনফোসিস, আমরা নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ওরিয়ন ফার্মা, মুন্নু এগ্রো মেশিনারি এবং ইস্টার্ন হাউজিং।

সালভো কেমিক্যাল: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২ কোটি ৭৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৪৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৭৫ কোটি ৪৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৭.১৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৬১ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৬২ টাকা থেকে ৬৬ টাকা ৫০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) সালভো কেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ০.৬৩ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৫৫ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.২৮ টাকা থেকে ০.২৫ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৫.১৬ টাকায় ওঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: সুশাসন ও সংস্কারের অভাবে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে ব্যাংক খাত: সিপিডি

বি ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১১ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৬৫ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৬ কোটি ৫০ লাখ ২২ হাজার ৭৯৩টি। এরমধ্যে চলতি বছরের অক্টোবর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ২২.১৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৮.৭৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৬৬.০৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ইন্ট্রাকো সিএনজি: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৩ কোটি ১৬ লাখ ৫৪ হাজার ৬২১টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৪১ কোটি ৫৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫.৭৭ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৪৫ টাকা ৬০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ টাকা ২০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.৫১ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৩ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ০.৩৯ টাকা থেকে বেড়ে ০.৫৬ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১২.৭২টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৮ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৯ কোটি ৮২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫০টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩০.০৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২০.৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৯.০৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

মুন্নু সিরামিক: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৭৮ লাখ ৮ হাজার ৪৬৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.০১ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ১৩৮ টাকা ৩০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১১৮ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১৩৮ টাকা ৩০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.০৪ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.২১ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.০৮ টাকা থেকে কমে ০.৫৬ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৮৩.০৫ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ১৯৮৩ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৩৭ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৭৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৩ কোটি ৭৭ লাখ ২৪ হাজার ৩১৭টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৪৮.৩০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১১.৮৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.১৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৬.৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

বসুন্ধরা পেপার: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ১ কোটি ৮ লাখ ২১ হাজার ৯৮টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।যার বাজার মূল্য ৮৬ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.৫৩ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৭৯ টাকা ৬০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৭৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৮২ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.২০ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৯ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ৩.৪৩ টাকা থেকে ঋণাত্বক ৭.৪৮ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৭৫.৫২ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৮ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ১৭৩ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৪৬৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৭০.৮৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৭.১০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২২.০৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

জেনেক্স ইনফোসিস: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৮৪ লাখ ৫ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭৬ কোটি ৭১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.১২ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৮ টাকা ৮০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৯২ টাকা ২০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.৩৯ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.২৯ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.৭৫ টাকা থেকে ১.৭৪ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৮.১০ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৯ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ১৩৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩০.০৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৪.৯১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

আমরা নেটওয়ার্ক: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ১ কোটি ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৪৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।যার বাজার মূল্য ৭৪ কোটি ৯৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.০৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৫৭ টাকা ৪০ পয়াসায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৫৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫৭ টাকা ৬০ পয়সায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.০৪ টাকা । গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৪৮ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ০.৩০ টাকা থেকে ০.৬৯ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩৭.৭৪ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা কোম্পানিটি ২০১৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৫৯ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৯৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৫ কোটি ৯০ লাখ ৩৪ হাজার ৮৬৫টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩৩.০৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৬.৯৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩০.০১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৩১ অক্টোবর ২০২২ এ কোম্পানিটির শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিলো ৩৯.৮৯ শতাংশ। মাসের ব্যবধানে সাধারণ বিনিয়োগকারী কমেছে ৯.৮৮ শতাংশ।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৬২ লাখ ১০ হাজার ৬৩৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭৩ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.০১ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ১১৭ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১১৫ টাকা থেকে ১২১.৮০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ৩.৯৮ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪.৩৪ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ৫.৪৪ টাকা থেকে বেড়ে ৬.৬১ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৭৬.৫০ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ১৯৭৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ১৫২ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৩০২ কোটি ১১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ১৫ কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ০৪০টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে সরকারের হাতে ৫২.১০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৩.৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ওরিয়ন ফার্মা: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৮২ লাখ ৮ হাজার ৫৩৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭২ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.৯৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৬.৩০ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮৬.২০ টাকা থেকে ৮৯.৭০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.৭২ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩০ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ১.৫২ টাকা থেকে বেড়ে ২.২৫ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৯২.৬৫ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ২৩৪ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৮৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ২৩ কোটি ৪০ লাখটি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩১.৯৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২০.৪২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ১.১৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৬.৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

মুন্নু এগ্রো: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৭ লাখ ২ হাজার ৪৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৫৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.৩৬ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৩৬.৮০ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮২০.৩০ টাকা থেকে ৮৫৭.৭০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ০.৬৭ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৬ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ঋণাত্বক ১.৭৩ টাকা থেকে ১.৬১ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৭৪.৬৪ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ১৯৮২ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ২৩৪ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৮৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ২৩ কোটি ৪০ লাখটি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩৫.৬৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১০.১৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.০৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫৪.১৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ইস্টার্ন হাউজিং: সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৫৮ লাখ ৪৬ হাজার ৪০৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৪৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.০২ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৮৪ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৮২ টাকা থেকে ৮৬.৩০ টাকায় উঠা নামা করেছে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.০৪ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৭৫ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওএফসিপিএস) ৩.১২ টাকা থেকে বেড়ে ৭.৬২ টাকা হয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৭৫.৭৫ টাকায় ওঠে এসেছে।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করা সরকারি কোম্পানিটি ২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ৯৩ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৬০৪ কোটি ৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের পরিমাণ ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৫৩টি। এরমধ্যে চলতি বছরের নভেম্বর শেষে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৫০.৩৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৭.৮২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.৩২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩১.৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

বিজনেস জার্নাল/ঢাকা