শাবিপ্রবির উপাচার্যের পদত্যাগ চায় অর্থনীতি সমিতি
- আপডেট: ১২:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২
- / ১০৪৮০ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি। না করলে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি করেছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারকাত ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আইনুল ইসলাম এই দাবি করেন।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
বিবৃতিতে শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্যাতন, শিক্ষার্থীদের লাগাতার আমরণ অনশন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একগুঁয়ে মনোভাবের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, চলমান অচলাবস্থায় শিক্ষার্থীদের জীবন সংশয়ের কারণ হয়ে পড়েছে। এতে একদিকে অভিভাবক ও দেশবাসী যেমন উদ্বিগ্ন, অপরদিকে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একইভাবে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সমর্থন ও সংহতি জানিয়ে অর্থনীতি সমিতি সমস্যার আশু সমাধান ও দ্রুত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপাচার্যকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অনতিবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে।
এদিকে শাবিপ্রবির সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটকের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আসক বলছে, কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া এভাবে ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে যাওয়া এবং পরে গ্রেপ্তার দেখানো তাদের সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে। এই সাবেক শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আসক বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এরূপ আচরণ আইন-বহির্ভূত এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এসব শিক্ষার্থীর মুক্তি দাবি করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর ও সম্পাদক ফয়জুল হাকিম এক বিবৃতিতে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার দাবি জানান।
১৩ জানুয়ারি সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন হলের কয়েক শ ছাত্রী।
একপর্যায়ে ছাত্রলীগ হামলা চালায় এবং পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করে ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। পরে এই আন্দোলন উপাচার্যের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে রূপ নেয়।
ঢাকা/কেএম

































