১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১০:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
  • / ১০৩০৫ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি আশরাফ উদ্দিন নামের লঞ্চটি ‘৫৫ হাত’ পানির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে লঞ্চটি টেনে তুলে নদীরে তীরে আলামিননগর এলাকায় রেখেছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তবে লঞ্চের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে নতুন করে কোনো লাশ মেলেনি বলে জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।তিনি বলে, ‘এখনও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্বজনরা নাম লিখিয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

ওসি মনিরুজ্জামান জানায়, লঞ্চডুবিতে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে চার জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরা সবাই মুন্সিগঞ্জের। দুই জনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন সমকালকে জানায়, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি ৫৫ হাত পানির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ভেতরে প্রাথমিকভাবে আমরা কোনো মরদেহ পাইনি।

এখন পর্যন্ত ৬ জন নিহতের মরদেহ পাওয়া গেলেও নাম-পরিচয় জানা গেছে ৪ জনের। এরা হলেন, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ইসলামপুর এলাকার জয়নাল ভূঁইয়া (৫০), রমজানবেগ এলাকার আরিফা (৩৫), তার শিশু সন্তান সাফায়েত (দেড় বছর) ও গজারিয়া উপজেলার ইসমানিরচর এলাকার শিল্পা রানী।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানায়, লঞ্চডুবির ঘটনায় প্রতিটি মরদেহের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। উদ্ধার কাজ শেষ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যায় কার্গো জাহাজের ধাক্কায় এমভি আশরাফ উদ্দিন নামে মুন্সীগঞ্জগামী একটি লঞ্চ ডুবে যায়। চর সৈয়দপুরের আল আমিননগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সীগঞ্জ যাচ্ছিল এমভি আশরাফ উদ্দিন। কিন্তু পথে এমভি রূপসী-৯ নামে একটি কার্গোবাহী জাহাজ লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চটি মুহূর্তের মধ্যেই ডুবে যায়।এসময় ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী সাঁতারে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন। তবে লঞ্চে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।

ঢাকা/এসএ

 

 

শেয়ার করুন

শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার

আপডেট: ১০:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি আশরাফ উদ্দিন নামের লঞ্চটি ‘৫৫ হাত’ পানির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে লঞ্চটি টেনে তুলে নদীরে তীরে আলামিননগর এলাকায় রেখেছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তবে লঞ্চের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে নতুন করে কোনো লাশ মেলেনি বলে জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।তিনি বলে, ‘এখনও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্বজনরা নাম লিখিয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

ওসি মনিরুজ্জামান জানায়, লঞ্চডুবিতে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে চার জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরা সবাই মুন্সিগঞ্জের। দুই জনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন সমকালকে জানায়, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি ৫৫ হাত পানির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ভেতরে প্রাথমিকভাবে আমরা কোনো মরদেহ পাইনি।

এখন পর্যন্ত ৬ জন নিহতের মরদেহ পাওয়া গেলেও নাম-পরিচয় জানা গেছে ৪ জনের। এরা হলেন, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ইসলামপুর এলাকার জয়নাল ভূঁইয়া (৫০), রমজানবেগ এলাকার আরিফা (৩৫), তার শিশু সন্তান সাফায়েত (দেড় বছর) ও গজারিয়া উপজেলার ইসমানিরচর এলাকার শিল্পা রানী।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানায়, লঞ্চডুবির ঘটনায় প্রতিটি মরদেহের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। উদ্ধার কাজ শেষ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যায় কার্গো জাহাজের ধাক্কায় এমভি আশরাফ উদ্দিন নামে মুন্সীগঞ্জগামী একটি লঞ্চ ডুবে যায়। চর সৈয়দপুরের আল আমিননগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সীগঞ্জ যাচ্ছিল এমভি আশরাফ উদ্দিন। কিন্তু পথে এমভি রূপসী-৯ নামে একটি কার্গোবাহী জাহাজ লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চটি মুহূর্তের মধ্যেই ডুবে যায়।এসময় ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী সাঁতারে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন। তবে লঞ্চে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।

ঢাকা/এসএ