সবুজে আর ভয় নেই মুমিনুলদের
- আপডেট: ১১:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২
- / ১০৩৪২ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দক্ষিণ আফ্রিকানদের ন্যাড়া উইকেট পছন্দ নয়। তাই সাদা বলের খেলায়ও উইকেটে কিছু ঘাস রেখে দেয় কিউরেটর। টেস্ট ম্যাচ হলে সবুজের আধিক্য আরও বাড়ে। টেস্টে পেস বোলিংয়ের রোমাঞ্চ উপভোগ করতেই ঘাসের বাড়বাড়ন্ত দেখা যায়। ডারবানের কিংসমেডের উইকেটও ঢেকে আছে সবুজ ঘাসে। গত কয়েকদিন উইকেট দেখে অধিনায়ক মুমিনুলের কাছেও মনে হয়েছে কিংসমেড শাসন করবে পেসাররা।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
উইকেটের বৈশিষ্ট্যের কারণেই পেস বোলারদের অগ্রাধিকার দিয়ে একাদশ সাজাতে পারে। যেখানে গতি আর বাউন্সের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে ব্যাটারদের। বাংলাদেশের ব্যাটাররা সেটা ভালোভাবেই করতে পারবে বলে বিশ্বাস মুমিনুলের। কারণ, ঘাসের উইকেটে খেলার আগের সেই ভীতি আর নেই। নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে টেস্ট জিতে সবুজ উইকের ভয়ও জয় করে ফেলেছেন লিটনরা। টাইগারদের পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড দক্ষিণ আফ্রিকান। তিন সপ্তাহ আগেও দেশটির ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচ ছিলো তিনি। তাই এ মুহূর্তে রাসেল ডমিঙ্গোর চেয়েও দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে তার। তিন দিন আগেই ডোনাল্ড মিডিয়াকে জানায়, ডারবানের উইকেটে ঘাস থাকলেও রান হবে প্রচুর। শেষদিন গিয়ে কিছুটা টার্ন মেলে। সেক্ষেত্রে স্পিন দিয়ে টেস্ট ম্যাচে সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ভরসার তাই তিন পেসার তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন ও শরিফুল ইসলামের (ফিট থাকলে) ওপর।
মুমিনুলের মতে, ‘ডারবানে না দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেট সবসময়ই পেসবান্ধব। পেসাররাই বেশি সুবিধা পাবে। তবে যেমন উইকেটই হোক, একটা প্রসেসে বল করা, সঠিক জায়গায় বল করে ব্যাটারদের ওপর চাপ তৈরি করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ পেসবান্ধব হলেও ব্যাটাররা উইকেট ছুড়ে দেবে না বলে জানান টাইগার দলপতি, ‘পেসবান্ধব উইকেট মানে এই নয় যে, রান হবে না। পেস উইকেট মানে এই নয় যে, গেলাম আর আউট হয়ে এলাম। নিউজিল্যান্ড সিরিজ যদি দেখেন, ওখানেও রান হয়েছে, কিন্তু পেস বোলাররা সুবিধা বেশি পায় বা উইকেট বেশি পাবে। আমার ধারণা, পেস বোলাররা উইকেট বেশি পাবে।’
প্রোটিয়া টেস্ট দলটা অনভিজ্ঞ হওয়ায় বাংলাদেশকে আপার হ্যান্ডে রাখা হচ্ছে। যদিও কোচ রাসেল ডমিঙ্গো নিজেদের আন্ডারডগ মনে করে। তার মতে, স্বাগতিকতার সুবিধা পাবে প্রোটিয়ারা। জিততে হলে মরিয়া হয়ে খেলতে হবে দল হিসেবে। এই কয়দিনে সে বার্তা কোচিং স্টাফের কাছ থেকে বারবার পেয়েছে মুমিনুলরা। ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স তো সাদা বলের খেলা ভুলেই যেতে বলেছে ব্যাটারদের। টেস্টে বল ছাড়ার ওপর জোর দিয়েছে তিনি। মুমিনুলও সে বার্তা দেন জুম সংবাদ সম্মেলনে, ‘ওয়ানডে সিরিজ জিতে যাওয়া আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে অবশ্যই এগিয়ে থাকব।
যদিও লাল বল ও সাদা বলের মধ্যে পার্থক্য আছে। লাল বলে আমাদের নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে। আমরা নিউজিল্যান্ডে কীভাবে খেলেছিলাম, ওই সময় যে প্রক্রিয়াগুলো ছিল সেগুলো আবার সামনে আনতে হবে। ওখানে যেই ভুল বা যে কারণে পিছিয়ে ছিলাম, সেই জায়গাটায় কাজ করতে হবে। সবমিলিয়ে আত্মবিশ্বাস তো অবশ্যই আছে। তবে সবমিলিয়ে নতুন শুরু করতে হবে।’ নতুন শুরুর টেস্টে একাদশে একটি পরিবর্তন অবধারিত। তামিম ইকবাল ফেরায় ওপেনিংয়ে জুটি বদল হবে। মাহমুদুল হাসান জয় আর তামিম করতে পারেন ব্যাটিং ওপেন। পেসার শরিফুলের হালকা চোট রয়েছে। ফিটনেস পরীক্ষায় পাস না করলে তৃতীয় পেসার বেছে নেওয়া হবে রাহি, শহিদুল ও খালিদের মধ্য থেকে একজনকে।
ঢাকা/এসএ





































